স্টার্টআপের জন্য ঋণ দেওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক (এসভিবি) গত বুধবার এক ঘোষণা দেয়, ব্যালান্স শিট বা স্থিতিপত্র শক্তিশালী করতে তারা ২২৫ কোটি ডলার সমমূল্যের শেয়ার বিক্রি করবে। কিন্তু
২০১০ সালের জুনে নিমতলীতে রাসায়নিকের কারখানায় আগুন ধরে ১২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। এরপর পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যালের কারখানা, প্লাস্টিকের গুদাম, পারফিউমের কারখানা সরানো নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবে এই সংকটকে সুযোগের আদলে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যবসা-বিনিয়োগ চাঙা করছে অনেক দেশ। বাংলাদেশের অর্থনীতিও স্মরণকালের সংকটকাল অতিক্রম করছে। এমন পরিস্থিতিতে
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাঠ-ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ বেশি। জেলার চারটি আসনের মধ্যে বর্তমানে চারটিই আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের
একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটেই চলেছে। গত এক সপ্তাহে এমন বিস্ফোরণ ঘটেছে অন্তত তিনটি। এখনো এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘিরে। ৪ মার্চ চট্টগ্রামের
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় আসা-যাওয়া শুরু করেছেন। অনেক আসনে বড় দুই দলের
অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য খুনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীর হাতে হরহামেশা প্রাণ দিতে হচ্ছে অটোচালকদের। কখনো শুধু অটোরিকশার ব্যাটারির জন্য নির্মমভাবে খুন করা হচ্ছে চালককে। বন্ধুর হাতে বন্ধু খুনের ঘটনাও
গুলশানের একটি বাড়িতে ১৫ দিন আগে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ অগ্নিকা-ের সূচনা হয়। ওই ঘটনায় একজনের প্রাণহানি হলেও বিপুল সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। আর গত তিন দিনের মধ্যে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব ও সিদ্দিকবাজারে
চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণাকালে দেশের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনা হবে জানিয়ে সে সময় তিনি ইউক্রেন সংকটজনিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করে চলতি অর্থবছরে অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ঘোষণাও দিয়েছিলেন। অর্থ জোগাড়ের নিশ্চয়তা না থাকলেও ওই সময়ে বাজেট ঘোষণা হয় ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার। অর্থবছরের প্রথম অর্ধাংশে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ বাজেটের এক-চতুর্থাংশও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি সর্বশেষ মাসিক রাজস্ব প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিভাগগুলো অর্থ ব্যয় করতে পেরেছে বরাদ্দকৃত বাজেটের মাত্র ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের মাত্র ১৪ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে। আর পরিচালন খাতে ব্যয় হয়েছে বরাদ্দের ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ অর্থ। যদিও সরকারের সংস্থাগুলো দাবি করছে, অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে বাজেট অনেক গতি পাবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের পর্যবেক্ষণ হলো সরকার এখন অর্থ সংগ্রহ নিয়ে বেশ চাপে রয়েছে। বিষয়টি এখন রীতিমতো বড় ধরনের সংকটে রূপ নিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঘাটতি বাজেট পূরণে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে লক্ষ্যমাফিক অর্থ সংগ্রহ করা যায়নি। বিদেশী উৎস থেকে চলতি অর্থবছরে ঋণ নেয়ার নিট লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি
ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়নের কারণে গত দেড় বছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ স্থানীয় মুদ্রায় বেশি মাত্রায় বেড়ে যাচ্ছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক ঋণ ৯ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে