1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী মাদকের সাথে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর উপকূলীয় সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতিতে ব্লু কার্বন অর্থায়ন জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা: চুয়েটের ওরিয়েন্টেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

টাকার অবমূল্যায়ন ২৬ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ২ লাখ কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে

ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়নের কারণে গত দেড় বছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ স্থানীয় মুদ্রায় বেশি মাত্রায় বেড়ে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক ঋণ ৯ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। ওই সময়ে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১০৭ টাকা। এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় ঋণ দাঁড়াচ্ছে ১০ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ডলারের দাম স্থিতিশীল ছিল।

ওই সময়ে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা। ওই দরে এখনকার বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াচ্ছে ৭ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ হিসাবে গত দেড় বছরে শুধু ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর-ছয় মাসে বৈদেশিক ঋণ ডলারের হিসাবে কমেছে। কিন্তু টাকার হিসাবে তা বেড়েছে।

সূত্র জানায়, বৈদেশিক ঋণ ডলারে নেওয়া হয়। ওইসব ডলার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত দেশের রিজার্ভে যোগ হয়। ডলারের বিপরীতে সমপরিমাণ টাকা ব্যাংক থেকে দেওয়া হয় ঋণগ্রহীতাকে। গ্রহীতা ওইসব টাকা খরচ করেন। ঋণ পরিশোধের সময় আবার বাজার দরে ব্যাংক থেকে ডলার কিনে ঋণের কিস্তি শোধ করেন। এ কারণে ডলারের দাম বাড়লে সার্বিক ঋণের পরিমাণও বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দাম বাড়ার কারণে বৈদেশিক ঋণের অঙ্ক বাড়ছে। যদিও আগের ঋণ কিছুটা পরিশোধের কারণে ডলারের হিসাবে তা কমেছে। শুধু ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারে অস্থিরতা থাকায় ঋণ পরিশোধের কোনো সুফল দেশ পেল না। উলটো ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে গেল। এজন্য ডলারের বিপরীতে টাকার মানকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডলারের দাম অস্থির হলে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের চাপে পড়ে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দেশের পুরো অর্থনীতিতে। ডলারের দাম বাড়লে টাকার মান কমে যায়। হ্রাস পায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। এতে বেড়ে যায় বৈদেশিক দায়-দেনা, আমদানি খরচ। বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হয়। ফলে চাপ সৃষ্টি হয় মূল্যস্ফীতির ওপর। দেড় বছর ধরে যা প্রবল আকার ধারণ করেছে। মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে ওঠে এখন আবার কমতে শুরু করেছে। যদিও পণ্যমূল্য বেড়েই যাচ্ছে। আবার ডলারের দাম কমে গেলে স্থানীয় মুদ্রার মান বেড়ে যায়। এতে রপ্তানি পণ্যের দাম বেড়ে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে। একই সঙ্গে প্রবাসীরা রেমিট্যান্সের বিপরীতে টাকা কম পান। ফলে তারা রেমিট্যান্স পাঠাতে নিরুৎসাহিত হন। এ কারণে ডলারের দামকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে ধরে রাখা হয়। ২০২১ সালের জুনের আগে ১০ বছর ধরে ডলারের দাম স্থিতিশীল ছিল। ফলে দেশকে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে কোনো সংকট মোকাবিলা করতে হয়নি। এর আগে ২০০১ সালের শেষদিক থেকে ২০০২ সালের মাঝামাঝি সময় প্রবল ডলার সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছিল। তখন রিজার্ভ ১০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছিল। এক কিস্তির এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা বাবদ ৩৯ কোটি ডলার পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। ওই অর্থ কারেন্সি সোয়াপ বা ঋণ হিসাবে নেওয়া হয়েছিল। পরের কিস্তিতে তা শোধ করা হয়েছিল।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026