1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জীবনের সর্বস্তরে শরিয়া পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সুরকার ড. ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবার্ষিকী আজ শাহরুখ খানের ‘কিং’ চলচ্চিত্রে রানি মুখার্জি ও অভিষেক বচ্চনের সম্ভাব্য পুনরেকত্রীকরণ নিয়ে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ যুক্তরাজ্যে ফিরে আসলেও রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল ঔপনিবেশিক আমলে সংগৃহীত নাগা জনগোষ্ঠীর ৩৯টি মানব দেহাবশেষ ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে ইরান ও কানাডার কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের ২০ শিক্ষার্থী আহত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশু ও নারীসহ নিহত ১২, যুদ্ধবিরতি চুক্তি চরম ঝুঁকিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত

জীবনের সর্বস্তরে শরিয়া পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
ধর্ম ডেস্ক
ইসলাম কেবল নির্দিষ্ট কিছু ইবাদত বা আচার-অনুষ্ঠানের নাম নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শরিয়ার সঠিক অনুশাসন মেনে চলা একজন মুসলিমের স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য দাবি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই প্রকৃত মুমিনের পরিচয় ফুটে ওঠে। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে শরিয়ার পরিধি ব্যাপক এবং এর সঠিক বাস্তবায়নে মানবকল্যাণ সুনিশ্চিত হয়।
শরিয়া বলতে কেবল বিচারিক বা দণ্ডবিধি বোঝায় না; বরং এটি আল্লাহ প্রদত্ত এমন এক জীবনবিধান, যার উৎস মানুষের কোনো মনগড়া মতবাদ নয়, বরং সরাসরি ওহি। পবিত্র কোরআন ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর সমন্বয়ে গঠিত এই শরিয়া মানুষের আকিদা, ইবাদত, নৈতিকতা, পারিবারিক জীবন এবং অর্থনৈতিক লেনদেনসহ সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। শরিয়া মানার অর্থ হলো নিজের পছন্দ বা প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে বের হয়ে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও তাঁর বিধানকে পরম সত্য হিসেবে মেনে নেওয়া।
ইসলামি বিধানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সমাজে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। মানুষের প্রবৃত্তি অনেক সময় লোভ, কাম বা ক্ষমতার মোহে সীমালঙ্ঘন করতে চায়। কিন্তু শরিয়াহ মানুষের এই প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সব ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সঠিক পথে চলার নৈতিক শিক্ষা দেয়। এর মাধ্যমে মানুষের জান, মাল, সম্মান ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হয়। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, লেনদেন, পরিবার পরিচালনা এবং সামাজিক পারস্পরিক আচরণে শরিয়ার অনুশাসন পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অনেকেই দ্বীনকে কেবল মসজিদ, নামাজ ও রোজার মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করেন। অথচ ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য প্রকাশিত হয় যখন একজন মানুষ তার উপার্জনে হালাল-হারামের পরোয়া করে, ব্যবসায় সততা বজায় রাখে, জবানের হেফাজত করে এবং আত্মীয়স্বজনের হক আদায় করে। শরিয়া পালনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি বা শৈথিল্য—কোনোটিই কাম্য নয়। ইসলাম সবসময় সহজ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনপদ্ধতির নির্দেশ দিয়েছে, যা মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ সাধন করে।
শরিয়ার বিধানগুলো মানুষের ওপর কোনো অযাচিত কষ্ট চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয়, বরং মানবজাতিকে রক্ষা ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়েছে। তাই শরিয়া সঠিকভাবে পালনের জন্য কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন করা, হালাল উপার্জনে সচেষ্ট হওয়া এবং কোনো জটিল বিষয়ে যোগ্য ও বিশ্বস্ত আলেমদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে গিয়ে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর নির্দেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমেই কেবল একটি শৃঙ্খলিত, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় সমাজ গঠন করা সম্ভব।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026