1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জীবনের সর্বস্তরে শরিয়া পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সুরকার ড. ভূপেন হাজারিকার জন্মশতবার্ষিকী আজ শাহরুখ খানের ‘কিং’ চলচ্চিত্রে রানি মুখার্জি ও অভিষেক বচ্চনের সম্ভাব্য পুনরেকত্রীকরণ নিয়ে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ যুক্তরাজ্যে ফিরে আসলেও রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল ঔপনিবেশিক আমলে সংগৃহীত নাগা জনগোষ্ঠীর ৩৯টি মানব দেহাবশেষ ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে ইরান ও কানাডার কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের ২০ শিক্ষার্থী আহত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশু ও নারীসহ নিহত ১২, যুদ্ধবিরতি চুক্তি চরম ঝুঁকিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত

ঔপনিবেশিক আমলে সংগৃহীত নাগা জনগোষ্ঠীর ৩৯টি মানব দেহাবশেষ ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাজ্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে উত্তর-পূর্ব ভারতের নাগা অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে যুক্তরাজ্য নিয়ে যাওয়া ৩৯ জন মানুষের দেহাবশেষ নাগা সম্প্রদায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিট রিভার্স মিউজিয়াম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ‘ফোরাম ফর নাগা রিকনসিলিয়েশন’ বা এফএনআর-এর করা আনুষ্ঠানিক আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংগৃহীত মোট ৪০টি মানব অবশেষের ওপর দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও গবেষণা চালিয়ে এর মধ্যে ৩৯টি নিশ্চিতভাবে নাগা সম্প্রদায়ের পূর্বপুরুষদের বলে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন চলাকালে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গবেষক ও সংগ্রাহকদের মাধ্যমে নাগা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে এসব মানব দেহাবশেষ সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এগুলো যুক্তরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অক্সফোর্ডের পিট রিভার্স মিউজিয়ামে সংরক্ষিত ও প্রদর্শিত হতে থাকে। ঔপনিবেশিক আমলের সংগৃহীত এসব অবশেষের মধ্যে কিছু অংশ দীর্ঘ সময় ধরে জাদুঘরের প্রদর্শনাবলীতেও রাখা হয়েছিল, যা ২০২০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ঔপনিবেশিক আমলে সংগৃহীত সাংস্কৃতিক নিদর্শন, প্রত্নবস্তু এবং মানব অবশেষ আদি বা মূল জনগোষ্ঠীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যে নৈতিক আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদার হয়েছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত তারই একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নাগা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিনিধিরা যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, এই অবশেষগুলোর প্রত্যাবাসন কেবল কিছু হাড় বা শারীরিক অবশেষের স্থানান্তর নয়, বরং এটি তাদের বেদনাবিধুর ঔপনিবেশিক ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জাতির যৌথ স্মৃতির নিজ ভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের সমতুল্য। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে এফএনআর এবং স্থানীয় নাগা নেতৃত্ব এই মানব দেহাবশেষগুলো নাগাভূমিতে ফিরিয়ে এনে যথাযথ ঐতিহ্যগত ও ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছিল।
বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং নাগা প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। এই আলোচনার মাধ্যমেই অবশেষগুলো যুক্তরাজ্য থেকে নাগা অঞ্চলে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এবং সুনির্দিষ্ট হস্তান্তরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা ঔপনিবেশিক যুগের অন্যায় ও সাংস্কৃতিক লুণ্ঠনের শিকার হওয়া আদিবাসী জনপদের ঐতিহাসিক ক্ষত নিরাময়ে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলোর হারানো ঐতিহ্য ও অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিকে আরও বেগবান করতে পারে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026