জাতীয় ডেস্ক
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। রবিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মরহুম নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দলের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের এই জমায়েত রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অনুষ্ঠানে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও জহির উদ্দিন স্বপনের নিজ নির্বাচনী এলাকা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরাও এই শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে রাজনৈতিক সংস্কার ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠিত হলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর শহীদ জিয়ার মাজারে এই শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি রাজনৈতিক মাঠে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে এ ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শহীদ জিয়ার আদর্শ সবসময় তাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত রাজনৈতিক উপদেষ্টার এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা নগর চত্বর ও এর আশেপাশের এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের ঐক্য ও সংহতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।