1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাশিয়ায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার নতুন সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া ভূমি মন্ত্রণালয়ে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের আরও ৪০ কর্মকর্তার চাকরি ন্যস্ত এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত: গ্রস রিজার্ভ ৩৬.৮৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হরমুজ প্রণালীতে নতুন নৌপথ নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন ও পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, একাদশে ভর্তি ফি ও খরচ অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত, পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে আটকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে
আইন আদালত ডেস্ক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) আটকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বর্ণনা ও তদন্তে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার কথা জানান তিনি।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে মহাখালীতে অবস্থিত প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরে থাকা জেআইসি তথা ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিত গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারক প্যানেল এবং প্রসিকিউশন টিমের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ওই বন্দিশালা পরিদর্শন করে।
পরিদর্শন শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে মানুষকে ধরে এনে এখানে বন্দি রেখে পৈশাচিক অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। আজকের পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে সেই নির্মম চিত্র কিছুটা হলেও স্পষ্ট হয়েছে। ১/১১-এর সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই জেআইসির একটি কক্ষে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে সাক্ষ্য ও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই গোপন বন্দিশালাটিতে অতীতে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ বহু ব্যক্তিকে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক মতাবলম্বী ও ভিন্নমতের মানুষদের ওপর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এমন নজির পৃথিবীর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরল। ভবিষ্যতে দেশে যেন এ ধরনের কোনো টর্চার সেল বা জেআইসি আর প্রতিষ্ঠিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারের নিকট সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হবে বলে জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক অপরাধ করলে তাকে প্রচলিত আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই বিচারবহির্ভূত হত্যা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে কাউকে তুলে নিয়ে গুম ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার করা গ্রহণযোগ্য নয়। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক অসদুদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিউৎসাহী কিছু সদস্য এই টর্চার সেলগুলো পরিচালনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক ভুক্তভোগী আজও নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেআইসি এবং টিএফআই সেলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে বহু জড়িত কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। দেশের বিচারব্যবষ্টাকে শক্তিশালী করতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অপরাধের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ বিচার সম্পন্ন করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026