1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদরাসায় সংঘর্ষ, আহত বহু উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাভারের ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’ দ্রুত চালুর ঘোষণা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সংবিধান সংশোধনে জুলাই সনদের আলোকে অংশীজনদের মতামত নেবে সংসদীয় কমিটি সংবিধান সংশোধনে জুলাই সনদের আলোকে অংশীজনদের মতামত নেবে সংসদীয় কমিটি থাইল্যান্ডের ই-ভিসা চালু ও স্বাস্থ্য-বাণিজ্যসহ বহুমুখী সহযোগিতা জোরদারে উদ্যোগ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অতিরিক্ত বিলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ানের কৌশলগত সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জাতীয় পর্যায়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, সমন্বিত পদক্ষেপের আশ্বাস

চীনের নতুন জাতিগত আইনের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ে তিব্বতি শরণার্থীদের বিক্ষোভ, আটক একাধিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীনের সম্প্রতি কার্যকর হওয়া ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’-এর প্রতিবাদে ভারতে অবস্থানরত তিব্বতি শরণার্থীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। গত সোমবার ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের নারিম্যান পয়েন্ট এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় মুম্বাই পুলিশ বেশ কয়েকজন তিব্বতি শরণার্থীকে আটক করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে তিব্বতি জনগোষ্ঠীর তরুণ ও সাধারণ শরণার্থীরা নারিম্যান পয়েন্ট এলাকায় ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। তারা চীনের নতুন আইনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা এলাকাটিতে অবস্থিত চীন কনস্যুলেটের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের গতিপথে বাধা দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষেধ অমান্য করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যায়।

মুম্বাইয়ের এই বিক্ষোভটি মূলত ভারতে আশ্রয় নেওয়া তিব্বতি অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষিত একটি সমন্বিত কর্মসূচির অংশ ছিল। মহারাষ্ট্র ছাড়াও হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি এবং দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির থেকে তিব্বতি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, বেইজিং কর্তৃক প্রণীত এই নতুন আইন তিব্বতিদের শতাব্দী প্রাচীন স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভাষাগত মর্যাদা এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই জাতিগত ও সাংস্কৃতিক স্বাধিকার নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি এবং হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালাসহ বিভিন্ন শহরে ভারতের অন্যান্য তিব্বতি সংগঠনগুলোও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে। বিক্ষোভ থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, চীনের সংখ্যালঘু নীতি ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিশ্বনেতাদের কার্যকর ভূমিকা পালন করা উচিত।

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস কর্তৃক চলতি ২০২৬ সালের ১২ মার্চ বিতর্কিত ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’ আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হয়। পরবর্তী সময়ে একই বছরের ১ জুলাই থেকে এটি সর্বাত্বকভাবে কার্যকর করা হয়। চীন সরকারের দাবি, এই আইনের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও একতা বৃদ্ধি করা।

তবে মানবাধিকার সংস্থা এবং তিব্বতি গবেষকদের ভাষ্যমতে, এই আইনের মাধ্যমে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীগুলোকে বলপূর্বক মূলধারার চীনা সংস্কৃতির সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। আইনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর এবং সামাজিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে মান্দারিন ভাষাকে একক ও বাধ্যতামূলক ভাষা হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীগুলোর ধর্মীয় রীতিনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি বৃদ্ধির আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে, যা তিব্বতের ইতিহাস ও স্বকীয়তা বিলুপ্তির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026