1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদরাসায় সংঘর্ষ, আহত বহু উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাভারের ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’ দ্রুত চালুর ঘোষণা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সংবিধান সংশোধনে জুলাই সনদের আলোকে অংশীজনদের মতামত নেবে সংসদীয় কমিটি সংবিধান সংশোধনে জুলাই সনদের আলোকে অংশীজনদের মতামত নেবে সংসদীয় কমিটি থাইল্যান্ডের ই-ভিসা চালু ও স্বাস্থ্য-বাণিজ্যসহ বহুমুখী সহযোগিতা জোরদারে উদ্যোগ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অতিরিক্ত বিলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ানের কৌশলগত সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জাতীয় পর্যায়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, সমন্বিত পদক্ষেপের আশ্বাস

জাতীয় পর্যায়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় করে এসব কর্মসূচি পরিচালনা করবে। ৫ আগস্ট দেশের সবকটি প্রশাসনিক জেলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে দিনটি স্মরণে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবারের এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে এই কর্মসূচি বিস্তারিতভাবে নিশ্চিত করা হয়।

তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, দিবসটির সূচনা হিসেবে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী প্রদান করবেন। দিনের শুরুতেই দেশের ৬৪টি জেলার নির্ধারিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ সরকারি প্রতিনিধি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ দেশের সব বেসরকারি টিভি চ্যানেল, এফএম রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওতে গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কিত বিশেষ আলোচনা ও প্রামাণ্য অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই আন্দোলনের বীর যোদ্ধাদের স্মরণে বিশেষ সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

কেন্দ্রীয় আয়োজনের পাশাপাশি দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উদ্যোগে স্থানীয় পর্যায় থেকেও জুলাই শহীদদের পরিবার এবং বীর যোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রধান প্রধান সিটি কর্পোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ডিজিটাল ডিসপ্লেগুলোতে জুলাই আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনী চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজধানীর প্রধান সড়ক, সড়কদ্বীপ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সজ্জিত করা হবে এবং স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে আয়োজন করা হবে আলোকসজ্জার।

ইতোপূর্বে দিবসটি উদযাপনের প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে গত ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে বিশেষ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদেশের মাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য অনুরূপ সভার আয়োজন করা হবে।

একই দিনে বাদ জোহর অথবা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। দিবসটির স্মারক হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করা হবে।

জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দেশের সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর, দর্শনীয় স্থান এবং বিনোদনকেন্দ্রগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে উন্মুক্ত থাকবে। শিশুদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব বিনোদনমূলক স্থানে বিনা ফি-তে প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া মানবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, ডে-কেয়ার কেন্দ্র, ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ওই দিন বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026