1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষি উপকরণ নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: হুঁশিয়ারি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ: পুনর্বাসনের ঘোষণা সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনে ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল বিএনপি ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত: তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্তের পথে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সৃজিত পদসমূহ কম্পোজিশনে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল: টিকিটের দাম আকাশচুম্বী, দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন আইজিপি শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে হেফাজতে ইসলামের তৎপরতা জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান চরমোনাই পীরের

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন পর্যটন মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি পরিবেশ সুরক্ষা ও ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

রবিবার সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম মাঠে আয়োজিত “একটি শিশু একটি গাছ” শীর্ষক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পর্যটন মন্ত্রী বলেন, “গাছ মানুষের পরম বন্ধু। এটি আমাদের অক্সিজেন, খাদ্য ও ছায়া প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের সামগ্রিক প্রাকৃতিক চিত্র বদলে যাবে এবং বড় ধরনের সবুজায়ন নিশ্চিত হবে।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উন্নয়নের সংজ্ঞাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “উন্নয়ন মানেই কেবল সড়ক, সেতু কিংবা দালানকোঠা নির্মাণ নয়। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রকৃতি ও পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখা অপরিহার্য। পরিবেশ নিরাপদ থাকলেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অর্থবহ ও জনকল্যাণমুখী হয়।” বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গাছ লাগানোকে কেবল একটি চারা রোপণের কাজ হিসেবে না দেখে এটিকে একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি উপহার হিসেবে বিবেচনার জন্য তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিটি নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ ও তার রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন মন্ত্রী।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক নয়, বরং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে চলমান এই ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিগুলো দেশের বনভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং মাটির গুণগত মানোন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী অবদান রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিটি অনাবাদি স্থানে চারা রোপণ করলে তা আগামীতে একটি সবুজ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026