1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়ল রুপার দাম ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, ব্যাংক হিসাবসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের নতুন নির্দেশনা পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট যাচাই-বাছাই করেই দেওয়া হয়েছে: চিফ হুইপ জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ার শঙ্কা, প্রস্তুতি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের

পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পদ্মা রেল সেতু প্রকল্পের ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের কাজ নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী করা হচ্ছে এবং এতে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক, সেতু ও রেল পরিবহন মন্ত্রী রবিউল আলম। সম্প্রতি এই মাটি কাটার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সরকারের এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলাভূমির স্বাভাবিক জলপ্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই অস্থায়ী ভরাট মাটি অপসারণ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের জন্য জলাভূমির ওপর সাময়িকভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল। প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার পর চুক্তির বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সেই অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করে পূর্বের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এটি কোনো অপরিকল্পিত বা স্বেচ্ছাচারী কাজ নয়, বরং মূল নকশারই অংশ।

প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্টের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার অংশের অস্থায়ী মাটি অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ চলমান রয়েছে। গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট মাটি অপসারণের পর মূল প্রাকৃতিক স্তরে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

সেতুর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কারিগরি ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মূল প্রাকৃতিক স্তরের প্রায় সাত থেকে আট ফুট নিচে রয়েছে পাইল ক্যাপ, যার পুরুত্ব ছয় ফুট। এই পাইল ক্যাপের আরও নিচে প্রায় ২০০ ফুট গভীরে আটটি পাইলের ওপর পুরো ভায়াডাক্ট কাঠামোটি দাঁড়িয়ে আছে। ফলে উপরিভাগের সাড়ে পাঁচ ফুট অস্থায়ী মাটি অপসারণের সাথে সেতুর মূল কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক বা ঝুঁকি নেই।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের প্রত্যক্ষ নকশা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রী বলেন, উচ্চপর্যায়ের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততার কারণে এখানে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রেলওয়ের ভূমির ব্যবহার নিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, ভবিষ্যতে রেলপথ সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের ভূমি দেশের স্বার্থেই সর্বোত্তম উপায়ে ব্যবহার করা হবে। পরিবেশ সুরক্ষা ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনার নিরাপত্তা—উভয় বিষয়কেই সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026