1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

বিগত সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় বোঝা: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

বিগত সরকারের আমলে নেওয়া ১,৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পগুলো বর্তমানে এমন এক অবস্থায় রয়েছে যা পুরোপুরি বাতিলও করা যাচ্ছে না, আবার চলমান রাখাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন এসব প্রকল্প নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের নীতি গ্রহণ করছে।

সেমিনারে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, বাজেট বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত সময়ের বিপুল সংখ্যক প্রকল্প যাচাই-বাছাই না করে গ্রহণ করায় তা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ১,৩০০ প্রকল্পের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন শুরু করেছে। সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং অপচয় রোধে সরকার এখন থেকে প্রতিটি প্রকল্প কঠোর নজরদারির আওতায় আনবে এবং অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় সংকোচন নীতি বা ‘ডিরেগুলেশন’ প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার প্রথাগত খাতের বাইরে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে সেমিনারে জানানো হয়। অর্থমন্ত্রী গ্রামীণ জনপদের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প ও শীতলপাটির মতো কুটির শিল্পের উদাহরণ টেনে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের এসব কারিগরদের উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ার উন্নয়ন ঘটানো হবে। বর্তমানে যেসব পণ্য ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সঠিক বিপণন ও সরকারি সহায়তার মাধ্যমে সেগুলোর বাজারমূল্য ২,০০০ টাকায় উন্নীত করা সম্ভব। এর ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

একইভাবে দেশের লোকসংগীত, চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি ও বিনোদন খাতকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে না রেখে সেগুলোকে বাণিজ্যিকীকরণ বা ‘মনিটাইজ’ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সাংস্কৃতিক খাতকে আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের আওতাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণে সরকার এবারের বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতি খাতে বিশেষ বরাদ্দ রেখেছে বলে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার বিষয়ে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের আমলে আর্থিক খাতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যোগ্যতার ভিত্তিতেই এসব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে বর্তমান সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও তিনি সেমিনারে জানান। বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও বাজেটীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026