ক্রীড়া প্রতিবেদক
টানা দুই জয়ে ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে জার্মানি। তবে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হওয়ার আগে ডিফেন্স নিয়ে কিছুটা উদ্বেগে রয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথম দুই ম্যাচে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও রক্ষণভাগের শক্তি ধরে রাখা এখন দলটির প্রধান চ্যালেঞ্জ।
উদ্বোধনী ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দেয় জার্মানি। দ্বিতীয় ম্যাচে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে তারা। তবে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয় পেলেও বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন জার্মান রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা নিকো শ্লটারবেক। পরে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার চোট গুরুতর এবং চলতি বিশ্বকাপের বাকি অংশে খেলার সম্ভাবনা নেই।
ইকুয়েডরের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে এই অনুপস্থিতি হয়তো বড় প্রভাব ফেলবে না। তবে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার আগে শ্লটারবেকের অভাব জার্মানির রক্ষণভাগে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কোচিং স্টাফদের এখন দ্রুত বিকল্প রক্ষণব্যূহ গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, দুই ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট পাওয়া ইকুয়েডরের সামনে নকআউটে ওঠার ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। ফলে তারা সর্বশক্তি নিয়েই মাঠে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাঁচা-মরার এই ম্যাচে ইকুয়েডর তাদের আক্রমণভাগকে পূর্ণ মাত্রায় ব্যবহার করতে পারে, যা জার্মানির নতুন ডিফেন্স লাইনের জন্য বড় পরীক্ষা হবে।
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছিল জার্মানি। ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় দলটি। ইকুয়েডরের বিপক্ষেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দ্রুত গোল আদায় করে নেওয়াই জার্মানির মূল পরিকল্পনা। নকআউট নিশ্চিত হলেও গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে জার্মানি। আর ইকুয়েডর চেষ্টা করবে টুর্নামেন্টে নিজেদের আশা জিইয়ে রাখতে।