স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম (সেন্টু)
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, দেশের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সরকার ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় গেলে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তারই অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আমডালা খাল খনন করা হচ্ছে।
আজ বুধবার ২৪-০৬-২০২৬ ইং মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়নে আমডালা খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দৌলতপুর উপজেলার তালুক হাপানিয়া খাল খনন পরিদর্শন সহ সাটুরিয়া উপজেলার গাজীখালী নদীর সংযোগ সড়ক হইতে চন্দ্রখালী ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন পরিদর্শন করেন ।
মন্ত্রী বলেন, খাল খননের মাধ্যমে শুধু পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা বরং পানি সংরক্ষণ, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।
এতে কৃষি ও মৎস্য খাতের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির এবং মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রানী কর্মকার,উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ইছামতি নদী থেকে সংযুক্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ আমডালা খালটির খননকাজ সম্পন্ন হলে এলাকার বিভিন্ন ফসলি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে এবং শতাধিক কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও গ্রামীণ উন্নয়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা খাল খনন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে কৃষিকাজ সহজ হবে, বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হবে এবং এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।