1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইয়ামালের ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট, স্পেনের আরেকটি জয় নিউইয়র্ক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে: রাষ্ট্রপতি লন্ডন সামিটে বাংলাদেশের জ্বালানি সম্ভাবনা উপস্থাপন মিরপুরের ক্রিকেট মঞ্চে কচুয়ার সন্তান ইরফান আহমেদ তুষার থার্ড টার্মিনাল চালু হলে কেমন সেবা পাবেন যাত্রীরা? বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট’: ডি থ্রি ট্রফির ছয় দল পেল কোচিং স্টাফ ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার

জুনের প্রথম ২৩ দিনে এলো ২২৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশের অর্থনীতিতে সুবাতাস বইয়ে দিয়ে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি জুন মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২২৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ৯ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের সন্তোষজনক দর পাওয়ার কারণে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৩ দিনে ২২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছর ব্যবধানে এই সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলমান অর্থবছরের শেষ মাসে এসে রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সের গতি বেশ ভালো ছিল। গত জুলাই থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সময়ে দেশে সর্বমোট ৩ হাজার ৪৯৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং চলতি হিসাবের ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় ধরনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

এর আগে সদ্য সমাপ্ত মে মাসেও দেশে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স এসেছিল। মে মাসে প্রবাসীরা মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তি। তারও আগে এপ্রিল মাসে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। বিশেষ করে চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হয়। ওই মাসে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

উল্লেখ্য, সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়েও দেশে প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের মাইলফলক অর্জিত হয়েছিল। পুরো অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে রেকর্ড ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্দিষ্ট কোনো অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। অর্থনীতিবিদদের মতে, হুন্ডি প্রতিরোধে কড়াকড়ি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দর বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ফলে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর এই জোয়ার তৈরি হয়েছে। রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের ডলার সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি সার্বিক আমদানি ব্যয় মেটানো এবং অর্থনীতির অন্যান্য সূচকগুলো আরও শক্তিশালী হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026