1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

বৃষ্টির পরও ঢাকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর: ১২৪ শহরের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে রাজধানী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৮ বার দেখা হয়েছে

পরিবেশ প্রতিবেদক

টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও রাজধানী ঢাকার বায়ুমান আশানুরূপ উন্নত হয়নি। আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্বের ১২৪টি প্রধান শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান ষষ্ঠ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ১১৮, যা মূলত ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

গত রবিবার থেকে শুরু হওয়া মৌসুমি বৃষ্টিপাতে ধুলিকণা সাময়িক প্রশমিত হলেও বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান দূষণ পুরোপুরি দূর হয়নি। গত রবিবার রাজধানীতে ৪২ মিলিমিটার এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়া অফিস ও পরিবেশবিদদের মতে, এপ্রিল মাসের শেষার্ধে সাধারণত বায়ুমান তুলনামূলক ভালো থাকার কথা থাকলেও স্থানীয় দূষণের প্রভাবে ঢাকার পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিয়েছে।

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) তথ্যমতে, বর্তমানে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণগুলো দেশীয় ও স্থানীয়। এর মধ্যে রাজধানীতে চলাচলকারী মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কালো ধোঁয়া অন্যতম। এ ছাড়া অপরিকল্পিত রাস্তা খনন ও নির্মাণকাজের ধুলোবালি বায়ুমান নিম্নমুখী রাখতে বড় ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক দশক আগেও এই সময়ে বৃষ্টির পর বায়ুমান দ্রুত সহনীয় পর্যায়ে চলে আসত, যা বর্তমানে অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে সম্ভব হচ্ছে না।

আজকের বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনসাসা, যার বায়ুমান সূচক ১৯৬। সেই তুলনায় বৈশ্বিকভাবে আজ বায়ুর মান অনেক শহরেই ভালো। ঢাকার অভ্যন্তরে এলাকাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজধানীর গুলশান এলাকার বায়ুমান সবচেয়ে উদ্বেগজনক। গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার এলাকায় সূচক রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৯। এ ছাড়া বেচারাম দেউড়ী, গুলশান লেক পার্ক, ধানমন্ডি ও বারিধারা এলাকার বায়ুমানও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ১১৮ মানের বায়ু বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের শ্বাসতন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে বাড়ির বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘরের জানালা বন্ধ রাখা এবং উচ্চ মাত্রার দূষিত এলাকায় শারীরিক ব্যায়াম এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির পানির মাধ্যমে ধুলোবালি কিছুটা থিতিয়ে পড়লেও বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা (পিএম ২.৫) নিয়ন্ত্রণে কঠোর তদারকি ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026