1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
৮০ বছরে পদার্পণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আর এস ফাহিম চৌধুরী গ্রেপ্তার শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দেশজুড়ে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠান শুরু ১৮ জুন মহাসড়কের ময়লা অপসারণ করে বৃক্ষরোপণ করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, পাহাড়ি অঞ্চলে দাবানল তুরস্ককে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শুভসূচনা, গ্রুপ ডি-তে জমজমাট লড়াইয়ের আভাস ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ছাড় দিতে ট্রাম্পের সম্মতি, চুক্তির অপেক্ষায় দুই পক্ষ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানে আজ চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা, সময়সূচি নিয়ে তেহরানের দ্বিমত সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শক্তিশালী করার আহ্বান ড. মঈন খানের

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো তাঁর জীবনের আদর্শ, কর্মপদ্ধতি ও বিশ্বাসকে অনুসরণ করা। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত পথ ও রাজনৈতিক দর্শন ধারণ করতে পারলে সত্যিকার অর্থে তাঁকে সম্মান জানানো হবে এবং একই সঙ্গে দেশের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে। আজ শুক্রবার রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান তাঁর বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতির জীবন ও রাজনৈতিক দর্শনের বিভিন্ন দিক বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ ছিল সর্বদা ন্যায়ের পক্ষে, তাঁর কর্মপদ্ধতি ছিল দেশমুখী উন্নয়ন এবং তাঁর মূল বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। দেশের এক অত্যন্ত সংকটময় ও ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীকালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্র তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে।

সাবেক এই মন্ত্রী দেশের সমকালীন রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে দেশের সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছিল। তৎকালীন সেই অবরুদ্ধ ও জটিল পরিস্থিতি থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের সংক্ষিপ্ত সময়ে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। ড. মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমান তৃণমূলের সাধারণ মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেছিলেন এবং দেশের কৃষি, শ্রম ও প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ও কাঠামোগত পরিবর্তন এনেছিলেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের বিশাল জনশক্তিকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতেন এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করেছিলেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি রেমিট্যান্সের সূচনা করেন। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ কৃষি উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করে পরাবলম্বী বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নেন। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ড. মঈন খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি নিজেকে একজন সাধারণ শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি প্রাসাদকেন্দ্রিক বা ড্রয়িংরুমের রাজনীতি করেননি, বরং দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতির অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন ধারা সংযোজন করেছিলেন, যার ফলে বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমান ও নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত উন্নয়ন ও স্বকীয়তা বজায় রাখতে হলে জিয়াউর রহমানের জীবন, বহুমাত্রিক কর্ম ও অর্জনের ইতিহাস নিবিড়ভাবে জানতে হবে এবং সেখান থেকে দেশপ্রেমের শিক্ষা নিতে হবে।

বক্তব্যের শেষ অংশে ড. মঈন খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও অবদানের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনায় দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং বাংলাদেশকে বিশ্বে আরও সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026