1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শব্দযন্ত্র বিভ্রাট তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন আইএলওর ৩৫৬তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সভাপতিত্বে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ উচ্চশিক্ষা প্রসারে বগুড়ার মহাস্থানগড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, মজুদ পর্যাপ্ত আইপিএল সম্প্রচারে বাংলাদেশে বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রম শুরু যমুনা সেতুতে ঈদ শেষে যানবাহনের চাপ ও টোল আদায়ে রেকর্ড র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মো. আহসান হাবীব পলাশ মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার কবলে

নেপালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপালে গত বছরের ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ দমন সংক্রান্ত সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে ভক্তপুরের গুন্ডু এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসভবন থেকে অলি গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে রমেশ লেখককে হেফাজতে নেওয়া হয়।

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের শপথ গ্রহণের মাত্র এক দিন পরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই পদক্ষেপ নেয়। কাঠমান্ডু উপত্যকা পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

গ্রেপ্তারের পর নেপালের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, এটি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নয়, বরং ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশ একটি নতুন দিকে অগ্রসর হবে।”

অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি এই গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রতিহিংসামূলক দাবি করে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নেপালে দুর্নীতিবিরোধী এক ছাত্র ও যুবক সংগঠিত গণঅভ্যুত্থানে অন্তত ১৯ জন তরুণসহ মোট ৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। বিক্ষোভের শুরু হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে এবং তা দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবন ও সরকারি দপ্তরে আগুন ধরিয়ে দেন, যা তৎকালীন অলি সরকারের পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়, যা দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ করে।

সম্প্রতি সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বলেন্দ্র শাহ। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সহিংসতার ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করেন। শুক্রবার নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে ওই কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালানোর কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়নি, তবে তা নিয়ন্ত্রণে বা বন্ধে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কার্যকর প্রচেষ্টা ছিল না।

কমিশনের প্রতিবেদনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অলি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক এবং পুলিশ প্রধানের ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দোষীদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি হতে পারে।

এই গ্রেপ্তার দেশটির রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এটি নেপালে বিচার প্রক্রিয়ার স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026