1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঈদের আগে ও পরে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ, বাস যাত্রা নিরাপদ করতে ডিএমপি পদক্ষেপ গোবিন্দগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্রমিক গ্রেপ্তার নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ঢাকায় ৪৭৫টি ফ্লাইট বাতিল বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে সমর্থন বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কে সফর জায়েদ খানের টক শোতে সামিরা মাহির প্রথম একসঙ্গে পারফরম্যান্স শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগেই পরিশোধের নির্দেশ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ঘরমুখো মানুষের যাত্রার জন্য ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু মির্জা আব্বাসের জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন মির্জা ফখরুল মির্জা আব্বাসের কিছু হলে ৮০ শতাংশ দায়ী থাকবেন পাটওয়ারী: মেঘনা আলম

নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাগরিকদের দুর্বল রাখার ফলে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। একইসঙ্গে নাগরিকদেরও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মানুষের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে পারে, কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতা, সহনশীলতা, উদারতা এবং মানবিক মূল্যবোধ ছাড়া প্রকৃত মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে না। এসব মূল্যবোধ গড়ে তুলতে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি পবিত্র হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, যার কাছে আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই। প্রধানমন্ত্রীর মতে, প্রতিহিংসা ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে ধর্মের মানবিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে, যা ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি স্মরণ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু হয়েছিল এবং পরে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা’ কার্যক্রম শুরু করেছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদানের পাশাপাশি তাদের দক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের চার হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ধর্মীয় নেতাদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এছাড়া প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠকে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান সবাই মিলে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো পক্ষ যেন সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। সরকারের লক্ষ্য হলো নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় একটি সুসংগঠিত, নিরাপদ এবং মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026