বাংলাদেশ ডেস্ক
গণপূর্ত অধিদপ্তরের আটজন শীর্ষ কর্মকর্তা ‘হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিং’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিদেশযাত্রার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ। এই সফরে কর্মকর্তারা এসি ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করবেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের সফরের খরচ বহন করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডানহাম-বুশ। গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহে সফরের তারিখ একাধিকবার পরিবর্তন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি, পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এই সময়কালে কোনো কর্মকর্তা বিদেশ যাননি। সর্বশেষ ৪ মার্চ মন্ত্রণালয় পুনরায় অনুমোদন দিয়ে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত সফরের নির্ধারণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রে সফরে যাওয়ার জন্য অনুমোদিত কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি।
সরকার ২০১৯ সালে আটটি বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার, কিডনি এবং হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। এই প্রকল্পে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ধাপে গণ্য করা হচ্ছে, যাতে স্থানীয় কর্মকর্তা নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষে এইচভিএসি সিস্টেমের কার্যক্রম এবং রক্ষণাবেক্ষণ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, “নির্মাণ প্রক্রিয়া শেষে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করা হবে। আমাদেরই ভবিষ্যতে এই সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তাই এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।” গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীও প্রশিক্ষণের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন।
সফরের সময়কালে কর্মকর্তারা ‘সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট অব এইচভিএসি সিস্টেম’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন। সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে এসি সিস্টেম পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন কৌশল শেখা।
তথ্য সূত্র: কালবেলা