1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী মাদকের সাথে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর উপকূলীয় সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতিতে ব্লু কার্বন অর্থায়ন জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা: চুয়েটের ওরিয়েন্টেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে নির্দেশ, আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে ইফতার, তারাবি ও সেহেরির সময় যেন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান। এ সময় তিনি দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি পরিবহন বিষয়ে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে তেলভর্তি একটি জাহাজ দেশে এসে পৌঁছেছে এবং একই দিনে আরও একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি ও এলপিজিসহ মোট আটটি জ্বালানিবাহী জাহাজ এসে পৌঁছেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতি শুরু হওয়ার আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছিল। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেগুলো বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, রোববার সকালে জ্বালানিবাহী আটটি জাহাজ বন্দরে এসে নোঙর করেছে। বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, এসব জাহাজ গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছিল। ফলে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠার আগেই সেগুলো নির্ধারিত রুটে যাত্রা সম্পন্ন করতে পেরেছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল ও গ্যাস পরিবহনের বড় অংশ এই পথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। এ কারণে ওই অঞ্চলে সামরিক বা রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।

এমন প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থাকে কার্যকর রাখতে নিয়মিত সমন্বয় করছে।

এর আগে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বাজারে হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি সামাল দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, দেশে বর্তমানে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নিয়মিত আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই। বিশেষ করে রমজান মাসে ধর্মীয় ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্ন রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও জ্বালানি আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত মজুত এবং নিয়মিত আমদানির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026