1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও কড়া নজরদারি চকবাজারে হাজী আবুল বাশার সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, হতাহত নেই কর নথি অডিটের নামে প্রতারণা থেকে করদাতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান এনবিআরের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ গভর্নরের কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৮৫৮ মামলা, রেকার ও ডাম্পিং ৮১৬ গাড়ির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তি ও বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফকিরহাটে জাতীয় দলের গোলকিপার জিয়ার সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কুশল বিনিময় শৃঙ্খলার স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পাচ্ছে পিজিআর: প্রধানমন্ত্রী

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রতীক জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণ করেন।

সকালবেলায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছে প্রধান উপদেষ্টা বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে তিনি কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। রাষ্ট্রীয় এই আনুষ্ঠানিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে, যা উপস্থিত সবাইকে মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রের কৃতজ্ঞতার বার্তা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মহান বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়। ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা করা হয়, যা রাষ্ট্রীয়ভাবে বিজয় দিবস পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উপলক্ষে ঢাকা পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ছয়টি গান থেকে ৩১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এই গান স্যালুটের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হয়।

মহান বিজয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। এই দিনে অর্জিত বিজয় লাখো শহীদের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার সাহসিকতার ফল। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে প্রতি বছর সেই আত্মত্যাগকে স্মরণ করা হয় এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তর এবং সামাজিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মরণ অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, স্বাধীনতার মূল্য এবং গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন বিজয় দিবসের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত। এটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি স্বাধীনতার চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা বহন করে। একই সঙ্গে এই আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মূল্যবোধ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদা, শৃঙ্খলা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের এই আয়োজন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026