1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা ঢালাও আসামি ও নানা অসংগতি: ঝুলে আছে জুলাই আন্দোলনের অধিকাংশ মামলার তদন্ত মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের নকআউট পর্বের ম্যাচ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে লালমনিরহাটে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির গণবিয়ে সম্পন্ন, এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু আগামী আগস্ট মাসজুড়ে অনলাইনে নেওয়া হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মানবিকতা: ভূমিকম্পে পা হারানো ভেনেজুয়েলার শিশুকে জার্সি ও ভিডিও বার্তা প্রেরণ আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্য: পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল উন্মুক্ত করল ইরান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

সুইডেনে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ঘুষ বা অনৈতিক প্রভাব অপরাধ হিসেবে ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঢাকায় সুইডেন দূতাবাস মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সতর্ক করে জানিয়েছে, সুইডেনে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ঘুষ দেওয়া বা যেকোনো ধরনের অনৈতিক প্রভাব প্রয়োগের চেষ্টা কঠোরভাবে অপরাধ বলে গণ্য হবে। দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়েছে, সুইডেনের অভিবাসন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয় এবং এই নীতি ভঙ্গ করা কোনোভাবেই সহ্যযোগ্য নয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, সুইডেনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন কঠোর ও আপসহীন। ঘুষ দেওয়া, গ্রহণ করা বা প্রভাব খাটানোর যে কোনো প্রচেষ্টা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এই আইন সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বেসরকারি সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, অভিবাসন সংক্রান্ত কোনো প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া বা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এমন ধরনের অনৈতিক প্রভাব প্রয়োগ সুইডেনের মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বচ্ছ অভিবাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সুইডেনের অভিবাসন ব্যবস্থার মূল নীতি হলো সমতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও ন্যায়বোধ বজায় রাখা। তাই দূতাবাস জোর দিয়ে জানিয়েছে যে ঘুষ বা প্রভাব খাটানোর কোনো উদ্যোগই কোনো পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য নয় এবং আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দূতাবাসের এ সতর্কতা এমন সময়ে এসেছে যখন বৈধভাবে সুইডেনে অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সুইডেন সরকারের নীতি অনুসারে, অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত হওয়া নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার ও সমতার নিশ্চয়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দূতাবাস এই বার্তায় নাগরিকদের সতর্ক করেছে যে, কোনো ধরণের ঘুষ বা প্রভাব বিস্তারকারী প্রচেষ্টা আইনগত পদক্ষেপের অধীনে আসবে। এছাড়া দূতাবাস অভিবাসন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রমের প্রতি জনগণের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ এবং নিয়ম মেনে চলার গুরুত্বও পুনর্বার তুলে ধরেছে।

সুইডেনের অভিবাসন নীতি আন্তর্জাতিক মানের অনুকূলে গড়ে উঠেছে, যেখানে আবেদনকারীদের সকল প্রকার সুবিধা ও অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হয়। অনৈতিক প্রভাব বা ঘুষের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার যে কোনো চেষ্টাই এই নীতিকে বিপন্ন করে এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।

দূতাবাসের এ ধরনের বার্তা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা বৈধ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026