1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে চাপ বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ভাষণের পর এশিয়ার তেল ও শেয়ার বাজারে তীব্র প্রভাব পড়েছে। বুধবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বিশ্ব বাজারে পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময় এশিয়ার শেয়ার বাজারও নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। ট্রাম্পের ভাষণে সংঘাতের সমাধান এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌপরিবহন স্বাভাবিক করার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়নি।

হোয়াইট হাউস থেকে প্রদত্ত ভাষণে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার বেশির ভাগ সামরিক লক্ষ্য খুব শিগগিরই পূরণ করতে যাচ্ছে এবং আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি পূর্বাবস্থায় ফিরতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি যে, কীভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে এই যুদ্ধ শেষ হবে। ট্রাম্পের ভাষণে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে ইরানের ওপর ‘কঠিন আঘাত’ হানার হুমকি থাকলেও তা বাজারকে আশ্বস্ত করতে পারেনি।

মার্কিন প্রশাসন এই সংঘাতের উদ্দেশ্য নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একদিকে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার কথা বলছেন, আবার প্রয়োজনে সংঘাত বাড়ানোর হুমকিও দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এক মাসেরও কম সময় আগে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান চালায়। ওই অভিযানের সময় কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বসহ এক ডজনের বেশি ব্যক্তি নিহত হয়।

অর্থনৈতিক প্রভাব ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান। ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে দেওয়ায় বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ বাণিজ্যিক তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর ইরানের সম্ভাব্য হামলা।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে স্বল্পমেয়াদে তেলের সরবরাহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরাও সামরিক উত্তেজনা ও বাজার অস্থিরতার কারণে শেয়ার ও তেলের বাজারে সতর্ক হয়ে পড়েছেন। যদিও ট্রাম্প দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন, তার কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

এই সংঘাতের ফলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে, যা শুধুমাত্র মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, নৌপরিবহন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালীতে স্থায়ী নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

মার্কিন প্রশাসনও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও, ইরানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি ধীর এবং সংঘাতমূলক মনোভাব বজায় রয়েছে। ফলে, বিশ্ব বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026