1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সুযোগ রেখে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে পাস হওয়া নতুন আইনকে তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে সৌদি আরব, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই আইনকে ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই আইন দখলকৃত পশ্চিম তীরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং বাস্তবে তা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে। নিন্দাকারীরা উল্লেখ করেছেন, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ ক্রমবর্ধমান বৈষম্যমূলক ও আগ্রাসী নীতির অংশ, যা একটি বর্ণবাদী ব্যবস্থাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। তারা সতর্ক করেছেন, নতুন এই আইন আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে এবং স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আইনের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, সোমবার ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেট চরম ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের সমর্থিত একটি বিল অনুমোদন করেছে। বিলটিতে সন্ত্রাসবাদ বা প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইনটি গ্রহণের আগে ১৯৫৪ সালে ইসরাইল আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করলেও যুদ্ধাপরাধ বা রাষ্ট্রদ্রোহের ক্ষেত্রে এটি এখনও বহাল ছিল। এর বাস্তব প্রয়োগ একমাত্র ক্ষেত্রে হয়েছে ১৯৬২ সালে, যখন অস্ট্রিয়ান-জার্মান নাৎসি যুদ্ধাপরাধী অ্যাডলফ আইখম্যানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নিন্দাকারী দেশগুলো বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেছে, ইসরাইলের এই ধরনের আইন এবং দখলকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক নীতি তাদের অস্তিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের নতুন আইন ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আরও জোরদার করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও ইতিমধ্যেই এই আইনের সমালোচনা শুরু করেছে এবং এটি বাস্তবায়িত হলে আইনগত ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইনের সমালোচকরা মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026