1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশে তেলের কোনো সংকট নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে অপসারণ, পেন্টাগনে অস্থিরতার মধ্যে নতুন বিতর্ক একনেকের প্রথম বৈঠক ৬ এপ্রিল, ১৭ প্রকল্প উপস্থাপনের প্রস্তুতি মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি

সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ হিসেবে সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টার পর দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে নেওয়া হয়, যা বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদসচিব জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারি অফিস নির্ধারিত সময়ে খোলা থাকবে এবং সন্ধ্যা ৬টার পর সাধারণ বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানসহ জরুরি সেবাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোরভাবে মনিটরিং করবে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জরুরি সেবার মধ্যে ফার্মেসিগুলো রাতভর বা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে পারবে। এছাড়া খাবারের দোকান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কার্যক্রম চালাতে পারবে। হাসপাতাল সংলগ্ন দোকান এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রও এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করার জন্য সরকারি এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারি অফিসের কার্যক্রম সীমিত রাখার ফলে শক্তির চাহিদা কমে আসার পাশাপাশি বাজারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

এ ধরনের নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক পর্যায়ে মনিটরিং ও প্রয়োজনে কড়াকড়ি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশেষ করে জরুরি সেবা ছাড়া বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাতের বেলা বন্ধ রাখার নির্দেশনা জনগণের জীবনযাত্রার ওপর সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে কি না, সেটিও নজরদারি করতে হবে।

সরকারের এই পদক্ষেপটি বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এটি দেশের শক্তি সংরক্ষণ এবং সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকরী হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026