1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষকদের জন্য ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ উদ্বোধন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি মাইকিংয়ের জেরে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার ইউএনওর গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের তালিকা তৈরির উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের অগ্রাধিকার, তেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে ১২.৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক

১১ বছর পর গাজা থেকে নিহত ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তার মরদেহ ফেরত পেল ইসরায়েল

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ২০১৪ সালে নিহত ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট হাদার গোল্ডিনের মরদেহ ১১ বছর পর ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এই মরদেহ ফেরত দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৩ বছর বয়সে নিহত গোল্ডিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তার দাফনের প্রস্তুতি চলছে। তিনি তার বাবা-মা, এক বোন, দুই ভাই এবং এক বাগদত্তাকে রেখে গেছেন।

হামাসের সামরিক শাখা রবিবার এক বিবৃতিতে জানায়, চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে তারা গোল্ডিনের মরদেহসহ এখন পর্যন্ত ২০ জন জীবিত এবং ২৮ জন মৃত জিম্মির মধ্যে ২৪ জনের মরদেহ ফেরত দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের প্রচেষ্টা গত এক দশক ধরে অব্যাহত ছিল এবং এই প্রক্রিয়ায় সেনা বাহিনী গোল্ডিনের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিল।

লেফটেন্যান্ট হাদার গোল্ডিন ২০১৪ সালের ১ আগস্ট দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরের কাছে একটি টহল অভিযানের সময় হামাস যোদ্ধাদের হামলায় নিহত হন। তদন্তে দেখা গেছে, হামলায় গোল্ডিনসহ তার আরও দুই সহযোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান এবং হামাস যোদ্ধারা গোল্ডিনের মরদেহ একটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে নিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর ইসরায়েল সেনারা রাফাহে ব্যাপক গোলাবর্ষণ চালায়, যাতে শতাধিক ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। হামলাটি চলেছিল টানা চার দিন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এই ঘটনাকে “দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান” বলে অভিহিত করেছেন। নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা কখনও হাল ছাড়িনি। আজ ইসরায়েল একত্র হয়েছে হাদার গোল্ডিনকে তার পরিবার ও জন্মভূমিতে ফিরিয়ে আনতে।” তিনি আরও যোগ করেন, সরকার এখনও গাজায় থাকা সকল জিম্মিকে ফেরত আনতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট হারজগ বলেন, “আমরা আমাদের সকল জিম্মিকে ঘরে ফিরিয়ে আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। গোল্ডিনের পরিবার দীর্ঘ ১১ বছর ধরে অপেক্ষা করেছে, আজ তাদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।”

গোল্ডিনের বাবা সিমচা গোল্ডিনও এক বিবৃতিতে সন্তানের মরদেহ ফেরত পাওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আমাদের কাছে বিজয় মানে হলো—আমাদের জিম্মিদের এবং সৈন্যদের ঘরে ফিরিয়ে আনা।” তিনি ইসরায়েলি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের এই প্রচেষ্টা যেন অন্য জিম্মিদের ক্ষেত্রেও অব্যাহত থাকে।

বর্তমানে গাজায় চারজন জিম্মি রয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ—তাদের মধ্যে তিনজন ইসরায়েলি এবং একজন থাই নাগরিক। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকলে অবশিষ্ট জিম্মিদের ফেরত আনার সুযোগ তৈরি হবে।

হাদার গোল্ডিন ছিলেন একমাত্র ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা, যার মরদেহ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের আগেই গাজায় ছিল। তার মৃত্যু ও মরদেহ আটকে রাখার ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, মরদেহ ফেরত পাওয়াকে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তব অগ্রগতি হিসেবে দেখছে, যা উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026