1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষকদের জন্য ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ উদ্বোধন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি মাইকিংয়ের জেরে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার ইউএনওর গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের তালিকা তৈরির উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের অগ্রাধিকার, তেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে ১২.৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, পাঁচ ক্রু সদস্য নিরাপদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

দক্ষিণ চীন সাগরে একের পর এক দুর্ঘটনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। গত রোববার বিকেলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ থেকে উড্ডয়নকারী একটি যুদ্ধবিমান ও একটি হেলিকপ্টার আধঘণ্টার ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে সৌভাগ্যক্রমে উভয় দুর্ঘটনায় involved পাঁচজন ক্রু সদস্যই জীবিত রয়েছেন।

বার্তাসংস্থা এপি অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর প্যাসিফিক ফ্লিট দুর্ঘটনার পর জানায়, দক্ষিণ চীন সাগরে উড্ডয়নকারী এফ/এ-১৮এফ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমান ও এমএইচ-৬০আর সি হক হেলিকপ্টার দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় পতিত হয়। প্রথম দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হলে এর তিন ক্রু সদস্য উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হলে এর দুই পাইলটও ইজেক্ট করে নিরাপদে উদ্ধার হন।

সব মিলিয়ে পাঁচজন ক্রু সদস্য “সুরক্ষিত এবং স্থিতিশীল অবস্থায়” রয়েছেন, এমনটি জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। বর্তমানে দুইটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

বার্তাসংস্থা এপি আরও জানায়, ইউএসএস নিমিৎজ বর্তমানে তার শেষ মিশনে অংশ নিচ্ছে। এই রণতরীটি গ্রীষ্মজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছিল এবং এখন এটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের নেভাল বেস কিটস্যাপে ফিরে যাচ্ছে।

যদিও নিমিৎজ এর আগেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করতে দক্ষিণ চীন সাগরে পাঠানো হয়েছিল, তবে এটি বর্তমানে তার শেষ মিশন সম্পন্ন করছে।

এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমানবাহী রণতরীতে ঘটানো প্রথম দুর্ঘটনা নয়। এর আগে ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান নামক আরেকটি রণতরীতে পরপর কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছরের ডিসেম্বরে, ইউএসএস গেটিসবার্গ নামক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ট্রুম্যান থেকে উড্ডয়নকারী একটি এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ভুলবশত ভূপাতিত করে। পরে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ট্রুম্যান থেকে উড্ডয়নকারী আরেকটি এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান হ্যাঙ্গার ডেক থেকে পিছলে লোহিত সাগরে পড়ে যায়।

এছাড়াও, মে মাসে একই ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে এফ/এ সিরিজের যুদ্ধবিমান ট্রুম্যান রণতরীর অবতরণের সময় থামার তারে আটকে না গিয়ে সাগরে পড়ে যায়। এতে পাইলট দুজনকে ইজেক্ট করতে বাধ্য হন, তবে সৌভাগ্যক্রমে সেই সময়ও কোন নৌসেনা নিহত হয়নি।

এই সকল দুর্ঘটনার পর মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষত, ইউএসএস নিমিৎজ এবং ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান রণতরী দুটি বিমানবাহী নৌযানেই একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও সকল দুর্ঘটনাতেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবুও এই ধরনের দুর্ঘটনাগুলি সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা মানদণ্ডের প্রতি সন্দেহের জন্ম দেয়।

অতীতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাগুলোর তদন্ত শেষ হলেও, চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে, চলমান ঘটনার পর মার্কিন নৌবাহিনীর কর্মপরিসরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা সামরিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। যদিও পাঁচজন ক্রু সদস্যকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে, কিন্তু এই ধরনের দুর্ঘটনা মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা নীতিমালা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। ইউএসএস নিমিৎজ রণতরী বর্তমানে তার শেষ মিশন সম্পন্ন করতে যাচ্ছে, তবে তার আগে ঘটানো এই দুর্ঘটনাগুলি আরও গভীর বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026