1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানি: তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ত্রাণমন্ত্রীর ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্র রক্ষা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেশের ১৮ কোটি মানুষের সার্বিক কল্যাণে সরকার কাজ করছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

দেশে ডেলিভারি বিদেশে লেনদেন মাদক বেচাকেনার ভয়ংকর পদ্ধতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে শুরু হয়েছে মাদক বেচাকেনার ভয়ংকর পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক বেচাকেনা হলেও অর্থ লেনদেন হয় তৃতীয় কোনো দেশে। মূলত বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে কিংবা সাগরপথে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডে পাড়ি দেওয়া রোহিঙ্গাদের ঘিরেই সচল পদ্ধতি। যার মাধ্যমে মাদক মাফিয়া ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রধান অর্থায়নের উৎসে পরিণত হয়েছে। ফলে পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের জন্য পাঠানো টাকা রোহিঙ্গাদের অজান্তেই জ্বালানি জোগাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা থেকে শুরু করে ক্যাম্পভিত্তিক ত্রাস সৃষ্টিকারী বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে।

সীমান্ত এলাকা মাদক ব্যবসা নিয়ে গবেষণাকারী ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চল (উত্তর ও দক্ষিণ) উপ-পরিচালক হুমায়ন কবির খোন্দকার বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মাদক বেচাকেনা হলেও মাদকের টাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রহণ করা হয় এমন তথ্য আমাদের কাছে এসেছে। তথ্য পেয়ে এরই মধ্যে কাজও শুরু করেছি। এ বিষয়ে কাজ শেষ হওয়ার পর বিস্তারিত বলতে পারব।’

মাদক কারবারিদের নতুন এ পদ্ধতি নিয়ে কথা হয় সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আইন প্রয়োগকারীর সংস্থাগুলোর অতি তৎপরতার কারণে মাদক মাফিয়াদের কেউ কেউ এখন দেশে মাদকের বিক্রির টাকা গ্রহণ করে না। তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক বিক্রি করলেও অর্থ গ্রহণ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডে। এক্ষেত্রে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক ডেলিভারি দেয় কিন্তু অর্থ গ্রহণ করে বাইরে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হুন্ডি চেইন শক্তিশালী হওয়ায় হুন্ডিকে ব্যবহার করেই তারা লেনদেন করে থাকে। এ হুন্ডি সিন্ডিকেটের সদস্যরা মূলত বিগত সময়ের চোরাকারবারি ও হুন্ডি ব্যবসার পদ্ধতি অনুসরণ করেই মাদকের টাকা পরিশোধ করছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026