1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ সামরিক মহড়া নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে যানজট নিরসনে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ, আসছে সমন্বিত নীতিমালা পুলিশের ৪৯ পরিদর্শককে অবসরে পাঠাল সরকার রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ, কমছে ট্রেনের বিরতিও প্রশাসনে আবারও রদবদল: ৭ কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন ও প্রত্যাহার দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে

আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলবানিজের ফলপ্রসূ আলোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নতুন আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোন আলাপে তিনি এই অনুরোধ জানান। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে ক্যানবেরা নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার মধ্যকার এই আলোচনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। আলবানিজ জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার অত্যন্ত ‘উষ্ণ ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন অস্ট্রেলিয়াকে এই শুল্কের আওতামুক্ত রাখা হয় এবং নতুন করে কোনো অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো না হয়।
উল্লেখ্য, শ্রম আইন ও কর্মপরিবেশ সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করে ওয়াশিংটন। অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি আরও ৫৯টি দেশের ওপর একই ধরনের শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। আকস্মিক এই শুল্ক আরোপের ফলে দেশটির রপ্তানি খাত ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি এই শুল্ক প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছি, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থানটি যেন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমার এই অনুরোধটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।’
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদী নীতির বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুল্ক আরোপের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা কখনোই টেকসই সমাধান হতে পারে না। কোনো দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপালে তা কেবল রপ্তানিকারক দেশের জন্যই নয়, বরং যে দেশ শুল্ক আরোপ করে তাদের অর্থনীতির জন্যও অতিরিক্ত ব্যয় তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। অস্ট্রেলিয়া সবসময়ই অবাধ, উন্মুক্ত ও ন্যায্য বাণিজ্যের পক্ষে বলেও তিনি জোর দেন।
বাণিজ্যিক ইস্যু ছাড়াও দুই নেতার মধ্যকার এই ফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পায়। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা জোট ‘অকাস’ (AUKUS)-এর সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন দুই দেশের শীর্ষ নেতা। এই ঐতিহাসিক চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত তিনটি আধুনিক ‘ভার্জিনিয়া-শ্রেণির’ পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন পাওয়ার কথা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। এই প্রকল্পের কার্যক্রম নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
একই সঙ্গে চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিয়েও মতবিনিময় করেন ট্রাম্প ও আলবানিজ। ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে অবিলম্বে সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া উচিত নয় বলে অস্ট্রেলিয়ার দৃঢ় অবস্থান মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে পুনরায় স্পষ্ট করেন তিনি।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য নীতির প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ার মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রের ওপর শুল্ক আরোপ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছিল। তবে দুই শীর্ষ নেতার এই আলোচনা এবং শুল্ক প্রত্যাহারের আশ্বাস বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমিত করার পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটন-ক্যানবেরা কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026