1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

যেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে অর্থনীতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল করার জন্য বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনা প্রয়োজন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামষ্টিক অর্থনীতির অস্থিতিশীলতা মোকাবিলা করার জন্য বেসরকারি খাতকে সহায়তা করার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলেন, তিনভাবে বেসরকারি খাতকে সহায়তা করা যেতে পারে। সেগুলো হলো- আর্থিক সহায়তা, আর্থিক প্রণোদনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আর্থিক সহায়তার আওতায় বেসরকারি খাতকে স্বল্প সুদে ঋণ অথবা গ্যারান্টি প্রদান করা হলে বাজারে নগদ টাকার সরবরাহ বাড়বে এবং বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি হবে। ঋণ পরিশোধেও সুবিধাজনক সময় দেওয়ার পাশাপাশি ডাউন পেমেন্ট ছাড়া অথবা সর্বনিম্ন ডাউন পেমেন্টে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের ব্যবস্থা করা হলে বেসরকারি কোম্পানিগুলো ঘুরে দাঁড়াবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুত হবে। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মানের উদারনীতির প্রবর্তন করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং চর্চায় কম জামানতের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা, আমদানিতে কম বিধিনিষেধ আরোপ, ঋণের মধ্যম বাজার ইত্যাদি চালু করা গেলে বেসরকারি খাত এবং ব্যাংক খাত উভয় ক্ষেত্রেই উপকৃত হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করতে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। এজন্য অপরিহার্য পণ্য, কাঁচামাল এবং জ্বালানি আমদানিতে ভর্তুকি প্রদান করতে হবে। অনেক প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়া হলে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে এবং এ প্রক্রিয়ায় আমদানিনির্ভরতা, মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি হ্রাস করতে পারে। আর্থিক প্রণোদনার আওতায় সহায়তার বিষয়ে বিশ্লেষকরা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের জন্য সাময়িকভাবে করছাড় ও অব্যাহতি প্রদান করা হলে ব্যবসার ওপর আর্থিক বোঝা কমবে এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। উৎপাদন এবং প্রযুক্তি খাতের মতো নির্দিষ্ট খাতকে সর্বনিম্ন করপোরেট ট্যাক্স সুবিধা দেওয়া হলে প্রবৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়তে পারে। প্রধান শিল্প খাতের জন্য সাময়িক করছাড় বা কর অব্যাহতি সুবিধা ব্যবসার ওপর আর্থিক বোঝা কমাতে এবং বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে। উৎপাদন এবং প্রযুক্তির মতো নির্দিষ্ট খাতের জন্য করপোরেট করহার কমানো প্রবৃদ্ধিকে উজ্জীবিত এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026