1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রেকর্ড সংগ্রহের পর বড় জয়ে ইংল্যান্ডের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫০ রোকনপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার চুক্তির কাছাকাছি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকোর তিহুয়ানায় ইরান দলের বেস ক্যাম্পের কাছে মরদেহ উদ্ধার, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্যারাগুয়েকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী, পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন আজ বিএনপির বাজেটকে ‘গণমানুষের বাজেট’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ও নিরাপত্তা পরিদর্শন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শক্তিশালী করার আহ্বান ড. মঈন খানের ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামে নিশ্চিত মৃত্যু শূন্য, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৭ জন

নতুন পথে, নতুন কৌশলে বেড়েছে স্বর্ণ চোরাচালান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

উগ্রপন্থিদের ফর্মুলা ‘কাটআউট’ পদ্ধতি। এ কৌশলেই চোরাকারবারিরা টার্গেট গন্তব্যে স্বর্ণের চালান পৌঁছে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উড়োজাহাজে চেপে বাহক অবৈধ উপায়ে স্বর্ণের বার নিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে। এর পর ‘কাটআউট’ পদ্ধতিতে চার থেকে পাঁচবার হাতবদল। এভাবেই বাংলাদেশ হয়ে চোরা স্বর্ণ চোরাই পথে চলে যায় পাশের দেশ ভারতে।

পাচার প্রক্রিয়ায় তারা ব্যবহার করে বেশ কিছু কৌশল ও সাংকেতিক কোড। চক্রের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা জানে না একে অন্যের নাম-পরিচয়। যখন হাতবদলের সময় হয়, তখন যে ব্যক্তির কাছে চালান পৌঁছাতে হবে শুধু তার কাছে থাকা নির্দিষ্ট একটি টাকার নোটের সিরিয়াল নম্বর হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্য কোনো মাধ্যমে বাহককে জানানো হয়। কখনও কখনও বলা হয়, যে ব্যক্তি ছেঁড়া টাকার নোট দেখাবে, তার হাতেই যাবে স্বর্ণ। যেসব স্পটে স্বর্ণ হাতবদল হয়, এর আশপাশে নজরদারিতে থাকে আলাদা আরেকটি গ্রুপ। আসল ব্যক্তির কাছে চালান পৌঁছাচ্ছে কিনা, তা তদারকিতে থাকে তারা।

 

দীর্ঘদিন ধরেই চোরাকারবারিরা এ পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচার করছে। এ ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশকে নিরাপদ পথ ভাবছে। জব্দ স্বর্ণের পরিসংখ্যানও দিচ্ছে সে তথ্যের প্রমাণ। দেশের সীমান্ত এলাকায় ২০১৯ সালে এক বছরে পাচারের সময় জব্দ করা হয়েছিল ৫৪ কেজি ২৩৪ গ্রাম স্বর্ণ। আর এ বছরের প্রথম আট মাসেই ধরা পড়েছে ১৪২ কেজি ৮১৫ গ্রাম। ধরা পড়া স্বর্ণের এ হিসাবই বলে দিচ্ছে, অবৈধ পথে চালান জব্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন গুণ। তবে সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বছরে স্বর্ণ পাচার হচ্ছে এর চেয়ে ২০ গুণ।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বলছে, দেশের জল, স্থল ও আকাশপথ ব্যবহার করে প্রতিদিন অন্তত ২০০ কোটি টাকার স্বর্ণালংকার ও বার চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঢুকছে। সে হিসাবে এক বছরে টাকার অঙ্কে স্বর্ণ চোরাচালানের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার কোটি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026