1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে অপসারণ, পেন্টাগনে অস্থিরতার মধ্যে নতুন বিতর্ক একনেকের প্রথম বৈঠক ৬ এপ্রিল, ১৭ প্রকল্প উপস্থাপনের প্রস্তুতি মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস আজ নৈরাজ্যের বাজারে স্বস্তিতে নেই ভোক্তা সারা দেশে অভিযান পরিচালনায় জনবল মাত্র ১০৮ জন * ঢাকায় আড়াই কোটি মানুষের জন্য ৫ জন কর্মকর্তা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ১২২ বার দেখা হয়েছে

ভোক্তা অধিকার থাকতে পারে, কয়েক বছর আগেও বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। নৈরাজ্যের বাজারে তাদের অধিকার সংরক্ষণে আইন হলো। সেই আইনের আলোকে ২০০৯ সালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও হলো। মাঝখানে চলে গেছে ১৪ বছর।

ভোক্তা কী পেল এই ১৪ বছরে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দিকে নজর দেওয়া যাক। প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য গঠিত এই অধিদপ্তর কার্যত দেশের ১৭ কোটি মানুষের জন্য কাজ করতে ব্যর্থ।

১০৮ জন কর্মকর্তা দিয়ে সমগ্র দেশে অভিযান পরিচালনা করার বাস্তবসম্মত কোনো সুযোগও নেই। এর মধ্যে ঢাকায় আড়াই কোটি মানুষের জন্য কর্মকর্তা রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। সবার প্রশ্ন কীভাবে সম্ভব এই জলবল দিয়ে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ করা।

আজ জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস। দিবসটি সামনে রেখে ১৪ বছরের কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর দিলে হতাশার চিত্রই দেখতে পাওয়া যায়।

এই হতাশা থেকে মানুষকে রক্ষায় একটি নতুন খবর দিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি জানিয়েছেন, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় আইনটি অনুপযোগী। ফলে সময়োপযোগী করার প্রস্তাব করা হয়েছে সরকারের কাছে।

কয়েকজন ভোক্তার বাস্তব অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর আদৌ কতটুকু করতে পারছে; কিংবা কেন পারছে না। পণ্যের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা, ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ, ওজনে কারচুপি ঠেকানো এবং

বাজার অব্যবস্থাপনা রোধের লক্ষ্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হলেও এই প্রতিষ্ঠানের কাজে সুফল থেকে দেশের মানুষ বঞ্চিত।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026