নিজস্ব প্রতিবেদক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সময় লিফটে ওঠার জন্য নিয়ম মেনে সাধারণ সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। মন্ত্রীর এ আচরণ উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা যদি ছোট ছোট বিষয়েও আইন মেনে চলি, তাহলে দেশে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। শৃঙ্খলা ও নিয়ম মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, সরকারি দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি, যা কর্মপরিবেশকে আরও সুশৃঙ্খল করে এবং জনসেবার মান উন্নত করতে সহায়ক হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মন্ত্রীর এ ধরনের আচরণ সরকারি দপ্তরে প্রচলিত ভিন্নধর্মী চর্চার বিপরীতে নতুন বার্তা বহন করে। যদিও এটি একটি সাধারণ কর্মকাণ্ড মনে হলেও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, এটি প্রশাসনে শৃঙ্খলা, সমতা ও দায়িত্বশীলতা জোরদারে সহায়ক হতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলেন, ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে এ ধরনের শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে কর্মক্ষেত্রে সমতা, দায়বদ্ধতা এবং পারস্পরিক সম্মানবোধ আরও সুদৃঢ় হয়। মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সরকারি দপ্তরে নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারী ব্যবস্থাপনায় সংস্কার এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির দিকে একটি ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মন্ত্রীর আচরণ সরকারি কর্মীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও নৈতিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের মান উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও উল্লেখ করেছেন, নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করলে সরকারি দপ্তরে কাজের মান এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ধরনের উদাহরণ ভবিষ্যতে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ অনুকরণ করার প্রেরণা যোগাবে।
মন্ত্রীর এ পদক্ষেপকে সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক সংস্কৃতির উন্নয়নের দিকে একটি ইতিবাচক ধাপ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, যা নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে চলার ওপর নতুন মনোভাব সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।