1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কড়া নির্দেশনা, আলিম পরীক্ষা চলাকালীন শনিবারেও অফিস খোলা নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ: নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও জাহাজ নির্মাণে যৌথ সহযোগিতার ওপর জোর দেশে তিনটি নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ-মিশর যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব মিশরের রাষ্ট্রদূতের বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করা এবং যৌথ ড্রোন কারখানা স্থাপনের ঘোষণা সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান বহাল, আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে: আইনমন্ত্রী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ সরকারের বেসরকারি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের জোরাল ভূমিকা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

অনুসন্ধান ধামাচাপা অর্ধযুগ ১৭ বীমা কোম্পানির আত্মসাৎ দুই হাজার কোটি টাকা আইনি দুর্বলতার কারণে অপরাধীরা কার্যত অব্যাহতি পেয়ে যান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ১৫৪ বার দেখা হয়েছে
সাঈদ আহমেদ

প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭ জীবন বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৬ সালের ২৮ জুন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি। এরপর ৬ বছর হতে চললেও অনুসন্ধানগুলো নথিভুক্ত (দায়মুক্তি) করেনি। মামলাও দায়ের করেনি। আইনের বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা, দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কূটকৌশল সর্বোপরি দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘বিশেষ বোঝাপড়া’র কারণেই কার্যত বৃহৎ এই অনুসন্ধান ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
সূত্রটি জানায়, ১৭টি বীমা প্রতিষ্ঠান ‘ব্যবস্থাপনা ব্যয়’ দেখিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে ১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাঝে এই অর্থ ভাগাভাগি হয়। এভাবে বীমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদসহ সংশ্লিষ্টরা ব্যক্তিগতভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হন। অনেক অর্থ বীমা প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেয়।

বিপুল অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর এবং রূপান্তর করে। বীমা-বিধির বাইরে স্থাবর সম্পত্তিও খরিদ করে। বিদেশে অর্থ পাঠায় অনেকে। ইত্যকার তথ্যসম্বলিত অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে নেমে সংস্থাটি বীমা ব্যবসার কথিত ‘নিয়ন্তা’ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদেরও বিপুল অবৈধ সম্পদের অর্জনের তথ্য পায়। প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে হাত দেয়ার একপর্যায়ে রহস্যজনক কারণে হিমাগারে চলে যায় অনুসন্ধানটি।

বিস্তারিত
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026