1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনে বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ গ্রেফতার ৪৪০ চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা: খলনায়ক ডনের সাত দিনের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য বিএনপি’র নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব জোরদারে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে

যে কারণে মা-বাবার সেবা নফল ইবাদতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৭৫ বার দেখা হয়েছে

মারজিয়া আক্তার

 

ইসলাম মা-বাবার সেবাকে সাধারণ ইবাদতের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, জুরায়জ নামের বনি ইসরাঈলের একজন ইবাদতগুজার ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তাঁর ইবাদতখানায় ইবাদতে নিমগ্ন থাকতেন। একবার তাঁর মা তাঁর কাছে এলেন। তারপর  তাঁর দিকে মাথা উঁচু করে তাঁকে ডাকছিলেন। বলেন, হে জুরায়জ, আমি তোমার মা, আমার সঙ্গে কথা বলো। এ কথা এমন অবস্থায় বলছিলেন, যখন জুরায়জ সালাতে নিমগ্ন ছিলেন। তখন তিনি মনে মনে বলতে লাগলেন, ‘হে আল্লাহ, একদিকে আমার মা, আর অন্যদিকে আমার সালাত (আমি কী করব)।’

অবশেষে তিনি তাঁর সালাতকে অগ্রাধিকার দিলেন এবং তাঁর মা ফিরে গেলেন। পরে তিনি দ্বিতীয়বার এলেন এবং বললেন, হে জুরায়জ, আমি তোমার মা, তুমি আমার সঙ্গে কথা বলো। তিনি বলেন, হে আল্লাহ, আমার মা, আমার সালাত। তখন তিনি তাঁর সালাতে ব্যস্ত রইলেন। তখন মা বললেন, ‘হে আল্লাহ, এ জুরায়জ আমারই ছেলে। আমি তার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলাম। সে আমার সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করল। হে আল্লাহ, তার মৃত্যু দিয়ো না, যে পর্যন্ত তাকে ব্যভিচারিণীর মুখ না দেখাও।’

রাসুল (সা.) বলেন, যদি তাঁর মা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো বিপদের জন্য বদদুয়া করতেন তাহলে অবশ্যই সে বিপদে পতিত হতো। রাসুল (সা.) আরো বলেন, এক মেষ রাখাল জুরায়জের ইবাদতখানার কাছে মাঝেমধ্যে আশ্রয় নিত। তিনি বলেন, এরপর গ্রাম থেকে এক নারী বের হয়ে এলো। ওই রাখাল তার সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এতে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেয়। তখন লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করল, এ (সন্তান) কোথা থেকে? সে জবাব দিল, এ ইবাদতখানায় যে বাস করে, তার থেকে। তিনি বলেন, এরপর তারা শাবল-কোদাল ইত্যাদি নিয়ে এলো এবং চিৎকার করে ডাক দিল। তখন জুরায়জ সালাতে মশগুল ছিলেন। কাজেই তিনি তাদের সঙ্গে কথা বললেন না। তিনি বলেন, এরপর তারা তাঁর ইবাদতখানা ধ্বংস করতে লাগল।

তিনি এ অবস্থা দেখে নিচে নেমে এলেন। এরপর তারা বলল, এ নারীকে জিজ্ঞেস করো (সে কী বলছে)। তিনি বলেন, তখন জুরায়জ মুচকি হেসে শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, তোমার পিতা কে? তখন শিশুটি বলল, আমার পিতা সেই মেষ রাখাল। যখন তারা সে শিশুটির মুখে এ কথা শুনতে পেল তখন তারা বলল, (হে দরবেশ) আমরা তোমার ইবাদতখানার যতটুকু ভেঙে ফেলেছি তা সোনা-রুপা দিয়ে পুনর্নির্মাণ করে দেব। তিনি বলেন, না। বরং তোমরা মাটি দ্বারা আগের মতো তা নির্মাণ করে দাও। এরপর তিনি তাঁর ইবাদতখানায় উঠে বসেন। (মুসলিম, হাদিস : ৬৪০২)

মূলত এটা ছিল তাঁর মায়ের বদদোয়ার ফল। এ হাদিসের শিক্ষা হলো, নফল তথা সাধারণ ইবাদতের চেয়ে মা-বাবার সেবা অগ্রাধিকারযোগ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026