1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ গঠনে বাংলাদেশ রোল মডেল হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণের কারণে দেশে বন্যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কর্মকৌশল কমিটি গঠন গত জুন মাসে ৫৩০ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬২, আহত ৭৫০ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ঘোষণা নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার কৌশল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সরকারের বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সরকারের রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা পূর্বের পূর্ণাঙ্গ রূপে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ইসলামাবাদে ওআইসি নারী সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ: ইরান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বাংলাদেশে আগামী বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক

শতাধিক ব্যক্তির কিডনি বিক্রি করেছেন তাঁরা, দিয়েছেন ২ লাখ করে: র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২৫ বার দেখা হয়েছে
আজ দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়েছেন সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চক্রের সদস্যরা জয়পুরহাটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যকে টার্গেট করে অর্থের প্রলোভন দেখান। ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে কিডনিদাতার কাছ থেকে কিডনি সংগ্রহের পর নির্ধারিত রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার আল মঈন বলেন, চক্রটি প্রায় ১০ বছর ধরে সক্রিয়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রোগী ও দাতা সংগ্রহ করে। এই চক্রে ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের পুরো কাজ সম্পন্ন করেন। একটি গ্রুপ ঢাকায় অবস্থান করে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কিডনি প্রয়োজন এমন বিত্তশালী রোগী খুঁজে বের করে। তারপর রোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিডনি সংগ্রহ করে দেওয়ার কথা বলে সম্পর্ক স্থাপন করে।

তৃতীয় দলটি প্রলোভনের শিকার কিডনিদাতাদের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীর সঙ্গে রক্তের নমুনা মেলানোসহ বিভিন্ন পরীক্ষা–নিরীক্ষার কাজ করে।

খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, পরীক্ষায় কিডনি প্রতিস্থাপনের উপযুক্ততা নিশ্চিত হলে তৃতীয় দলটি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে কিডনিদাতার পাসপোর্ট ও ভারতে ভিসার ব্যবস্থা করে। পাশের দেশে অবস্থানকারী আরেকটি চক্র বাংলাদেশি চক্রের যোগসাজশে ভুক্তভোগী কিডনিদাতাকে বিমানবন্দর বা স্থলবন্দর থেকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেয়। তারপর বিভিন্ন হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে নির্ধারিত রোগীর জন্য কিডনি সংগ্রহ করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে ভুক্তভোগীদের বৈধ বা অবৈধ উপায়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

আইনি জটিলতা এড়াতে ভুক্তভোগীর পাসপোর্ট বা অন্য কাগজপত্র নিজেদের কাছে রেখে দেন চক্রের সদস্যরা। চক্রের প্রধান ইমরান ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ কিডনি ও লিভার পেশেন্ট চিকিৎসাসেবা’ এবং ‘কিডনি লিভার চিকিৎসাসেবা’ নামে দুটি পেজের অ্যাডমিন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026