1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ইলন মাস্কের মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে একই দিনে ২৭ মে পাকিস্তানে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা জারি আইনি জটিলতায় আবারও শঙ্কার মুখে অনুদানের সিনেমা ‘বনলতা সেন’ মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলার জেরে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে চালক ও সহকারী নিহত যুক্তবিরতি আলোচনা থমকে যাওয়ার মুখে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের জেদ্দা-রিয়াদ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আজ চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারে ব্রাজিল, দলে ফিরছেন নেইমার চলতি বছর হজ পালনে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি

ইমো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি!

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১
  • ৩৩০ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় থাকেন মনসুর রহমান। ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর ইতালি প্রবাসী ছেলে রেজওয়ান কবির সাকিবের ইমো অ্যাকাউন্ট থেকে ফোন করে জানানো হয়, তার ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। ছাড়িয়ে নিতে জরুরিভিত্তিতে দেড় লাখ টাকা প্রয়োজন। এই টাকা পাঠাতে কিছু সময় চান মনসুর রহমান।

তখন দেশ থেকে কয়েক দফা ছেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। কারণ, ওয়ানটাইম পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে ছেলের ইমো অ্যাকাউন্টের দখল নিয়েছে প্রতারকরা। কয়েকটি বিকাশ নম্বরে কয়েক ধাপে দেড় লাখ টাকা পাঠিয়ে দিলে ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়।

ভুক্তভোগী মনসুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যখন শুনেছি আমার ছেলেকে জেলে ঢুকাবে তখন এত কষ্ট লাগে আমি বলে বোঝাতে পারবো না। দেড় লাখ মেনেজ করি, এরপর তারা ৫টা বিকাশ নম্বর দেয়, সেখানেই আমি ওই দেড় লাখ টাকা বিকাশ করি।’
এরপর প্রতারণার বিষয়ে তিনি মামলা করেন। মামলার তদন্তে নেমে নাটোরের লালপুর এলাকা থেকে ২১ টি সিম কার্ড, ৯টি মোবাইল ফোনসহ মাসুদ রানা নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ওই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা পুলিশ। প্রতারণা থেকে বাঁচতে প্রযুক্তির ব্যবহারে সতর্ক থাকারও পরামর্শ পুলিশের।

সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ কমিশনার মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আপনি যদি প্রতারকের কাছে ম্যাসেজের ওটিপি দিয়ে দেন তখনই ইমোর কন্ট্রোলটা চলে যাবে সম্পূর্ণ অ্যাপের আন্ডারে বা ওই প্রতারকের কাছে।’

তিনি জানান, গ্রেফতার মাসুদ রানা কয়েক বছর আগেও রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু গত এক বছরের বেশি সময় ধরে মানুষের ইমো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে, প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি।

ওই প্রতারণার বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ওই ব্যক্তি পাঁচটি বিকাশ নম্বরে দেড় লাখ টাকা পাঠান। শুধু তাই নয় সুইজারল্যান্ডের এক প্রবাসীরও এ ঘটনা ঘটেছে। তারা (প্রতারকরা) যদি আপনাদের কাছে কোনো ওটিপি বা পিন নম্বর চায়, দেবেন না। এগুলো দিলেই আপনি প্রতারণার শিকার হবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026