নিত্যপণ্য মূল্যে প্রতিযোগী এবং উন্নত দেশগুলোকে ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। ভোজ্যতেল, ডিম ও পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের দাম ইউরোপ-আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে এসব পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদরা
এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহক, নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দকে উন্নত সেবাগ্রহনে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড বগুড়ার মম ইন হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং বিসিএল এভিয়েশন (হেলিকপ্টার সার্ভিস) এর সাথে একটি কর্পোরেট চুক্তি
অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে পাঁচ বছরে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে লোপাট করা হয়েছে পৌনে এক লাখ কোটি টাকা। এরমধ্যে ২৭ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করা গেলেও তছরুপের প্রায় ৬৪ শতাংশই
রোববার (২০ মার্চ) থেকে সারা দেশে শুরু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) পণ্য বিক্রি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আসছে রমজানকে সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে
বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে ক্রমাগত বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। ফলে দুর্বল হয়ে পড়ছে দেশের ব্যাংকিং খাত। এক কথায় বলা যায়, ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা এখন তলানিতে গিয়ে
সারা দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হবে আজ। দুই কিস্তিতে ১ কোটি পরিবারের কাছে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রথম কিস্তি বিক্রি হবে
জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ বলেছে, ‘মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানোর চেয়ে ফকির হয়ে জন্মানো ভালো। মধ্যবিত্তরা না পারেন উপরে উঠতে না পারেন নিচে নামতে।’ সাম্প্রতিক সময়ে কথাটা যেন প্রত্যেক মধ্যবিত্ত পরিবারের
সাড়ে পাঁচ কেজির লোহা ও রাবারের এক্সপেন্ডার হুইল সাড়ে ২৩ কোটি টাকা। আধা কেজি ওজনের লোহার স্প্রিংয়ের দাম ১৬ লাখ টাকা। লোহা বা স্টিলের এক কেজি নাটের দাম ১ কোটি
আজকের পত্রিকা শেষের পাতা বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি ব্যয় মেটানোর কৌশল খুঁজছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে সার, এলএনজি ও জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে বাজেটে রক্ষিত ভর্তুকির বেশির ভাগ
সয়াবিন তেল নিয়ে এখনো কারসাজি চলছে। আমদানি, উৎপাদন ও বাজারজাত পর্যায়ে ভ্যাট এবং এলসি মার্জিন প্রত্যাহারের পরও নিত্যপণ্যটির কৃত্রিম সংকট কাটছে না। বাজার থেকে খোলা তেল একেবারেই উধাও। সরকারি সংস্থা