1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে চাপ বৃদ্ধি দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ দুই লাখ টনের বেশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল মুখোমুখি দেশের সব দোকান-শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধিতে মালদ্বীপকে আহ্বান এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা সাবমিশনে নতুন নির্দেশনা

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ দুই লাখ টনের বেশি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশে বর্তমানে মোট ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৮ টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। বৃহস্পতিবার জ্বালানি বিভাগ থেকে জানা যায়, এই মজুদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তেলের সঠিক পরিমাণও নির্ধারিত করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ডিজেল মজুদ রয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ টন, কেরোসিন ৯ হাজার ৩৭৮ টন, অকটেন ৯ হাজার ২১ টন, পেট্রল ১২ হাজার ১৯৪ টন। এছাড়া ফার্নেস অয়েলের মজুদ রয়েছে ৫৮ হাজার ৭৩৬ টন, জেট ফুয়েল ৪১ হাজার ৮৭৬ টন এবং মেরিন ফুয়েলের মজুদ ১ হাজার ১৫৩ টন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পর্যায়ের মজুদ দেশের দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সক্ষম। ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের পর্যাপ্ত মজুদ শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া পেট্রল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুদ শহরাঞ্চলের যানবাহন ও কৃষি যন্ত্রপাতি চালাতে সহায়তা করবে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিত তেলের মজুদ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চাহিদা অনুযায়ী তা বজায় রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামার প্রভাব দেশীয় বাজারে সীমিত রাখতে এ ধরনের মজুদ কার্যকর ভূমিকা রাখে।

দেশে তেলের মজুদের মধ্যে ফার্নেস অয়েলের অংশ বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বড় পরিসরে শিল্প, গৃহস্থালি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। জেট ফুয়েল মূলত বিমান চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং মেরিন ফুয়েল নৌপথে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয়।

জ্বালানি বিভাগের এই তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায়, দেশীয় তেলের সরবরাহ সুনিশ্চিত রাখতে সরকার যথেষ্ট প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পর্যায়ের মজুদ আগামী কয়েক মাসের জন্য নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও রপ্তানির ওপর নজর রাখা হচ্ছে যাতে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা স্বাভাবিক রাখা যায়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনগণকে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো ধরনের অস্থিরতার সম্মুখীন হতে হবে না।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026