জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শেষ হলেই শুরু হবে গণনা এবং সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
ভোটগ্রহণ: দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।
আইডি কার্ড: সংসদ সচিবালয়ের দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
ব্যালট গ্রহণ: নিজ আসনে বসে সহায়ক কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিতে হবে।
কাউন্টার ফয়েল পূরণ: নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।
ভোট প্রদান: পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখতে হবে।
ব্যালট জমা: ভোট দেওয়া ব্যালট নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে।
ব্যালট নষ্ট হলে: নির্বাচনকর্তার কাছে জমা দিয়ে নতুন ব্যালটের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচার করা যাবে না।
ভোটকক্ষে বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া নিষিদ্ধ।
সমস্যার ক্ষেত্রে চিফ হুইপ বা বিরোধীদলের চিফ হুইপের সহায়তা নেওয়া যাবে।
ব্যালটে স্বাক্ষরের পরিবর্তে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গণনা শুরু হবে। ধারাবাহিকভাবে—
মোট প্রদত্ত ভোট গণনা,
বৈধ ও বাতিল ব্যালট নির্ধারণ,
অব্যবহৃত ব্যালটের হিসাব,
প্রার্থীদের বৈধ ভোট গণনা,
সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা।
পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করবে।