1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্ত্রীর দায়ের করা দুই মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স মামুনের জামিন স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চিকিৎসকসহ ১ লাখ কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ সরকারের কলকাতায় নারীদের নিরাপত্তা দাবিতে আয়োজিত নাগরিক মিছিলে অংশ নিলেন জয়া আহসান জ্বালানি সংকট সমাধানে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী মস্কো অঞ্চলে ইউক্রেনের বড় ধরনের ড্রোন হামলা: নিহত ১, আহত একাধিক কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বরিশালে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের উদ্বোধন: প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা ইরানের, নিরাপত্তার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান বিদ্যুৎ ও কৃষি সংকট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা অবান্তর: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

জ্বালানি সংকট সমাধানে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বিগত সময়ে তৈরি হওয়া এই কাঠামোগত সংকট রাতারাতি বা আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি দূর করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে সরকার সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত নীতি প্রণয়ন করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
শিল্প ও সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্ব তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের টেকসই সমাধান ছাড়া দেশের অর্থনীতিকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এ সমস্যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। বিদ্যমান সংকটের পেছনে অতীতের নীতিগত দুর্বলতা ও অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার দায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কোনো সময় অপচয় না করে কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজছে।
জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধির চলমান উদ্যোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ও মজুত বাড়ানোর জন্য একাধিক বাস্তবমুখী প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) ও স্থলভাগে (অনশোর) এলএনজি মজুত ব্যবস্থার বিভিন্ন কারিগরি ও আর্থিক দিক চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের এসব উদ্যোগের সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে দেশবাসীকে জানানো হবে।
বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার যে পরিসংখ্যান প্রচলিত রয়েছে, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্রের সঙ্গে তার কিছুটা ফারাক রয়েছে। বিশেষ করে উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড অবকাঠামোর দুর্বলতার কারণে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অনেক ক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে একটি সুষম ‘এনার্জি মিক্স’ বা জ্বালানি সংমিশ্রণ নীতি চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, একক কোনো উৎসের ওপর নির্ভরশীল না থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পরিবেশবান্ধব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বয়ে জাতীয় কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে। নিজস্ব কয়লা সম্পদের সর্বোচ্চ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে। সব উৎসের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দৃশ্যমান ও কার্যকর পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হুমকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে তারা সংকট সমাধানে সরকারের একটি বাস্তববাদী স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখছেন। দ্রুততম সময়ে জ্বালানি খাতের সংস্কার সম্পন্ন করা গেলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026