1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান তিন দিনের রিমান্ডে গাইবান্ধায় উন্নয়ন বৈষম্য ও দুর্নীতির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর জনসভা অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে ১১ দলীয় জোট: হামিদুর রহমান আযাদ নেপালে শুরু হলো যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘শিকার’-এর চিত্রগ্রহণ জামালপুরের সিভিল জজ একেএম সামিউল হক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান হাসিনা-হাদি হত্যাকারীদের দ্রুত ফেরত দেবে ভারত আশাবাদী বাংলাদেশ রাজধানীতে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে সাময়িক বিরতিতে দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান চলতি বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয়ই কমেছে

রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে
ধর্ম ডেস্ক
চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজারটি মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা। এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা এই আর্থিক সুবিধার আওতায় আসবেন। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ সেলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সেলের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে এই সম্মানী ভাতা বিতরণের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। এ ছাড়া পৌরসভাগুলোর ক্ষেত্রে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুইটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি করে মসজিদ এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুইটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে বাছাই করা হবে। পাশাপাশি বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজকরা প্রত্যেকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। এছাড়া মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক মাসিক তিন হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেমরা মাসিক দুই হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পাবেন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্মানীর এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে পাঠানো হবে।
মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী দেওয়ার এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে চলতি অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় রাষ্ট্রীয় এই সুবিধার আওতায় আসছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এর আগে গত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ছয় হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত ও সেবাইতসহ মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী প্রদান করা হয়েছিল। সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। বর্তমান সম্প্রসারিত উদ্যোগটির মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026