1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ, এমআইএসটির বিশ্বজয়ী দলকে প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রবাহের সুরক্ষায় মিডিয়া কমিশন গঠন ও প্রেস আইন সংশোধনের উদ্যোগ যৌতুক ও মাদক প্রতিরোধে পরিবার থেকেই সচেতনতা তৈরির তাগিদ রাজনীতিতে অশালীন ভাষা ব্যবহার সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী: রিজভী মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বললেন সৌদি যুবরাজ বেসরকারি মাদরাসায় বড় সিদ্ধান্ত, অ্যাডহক কমিটি বাতিল পাইপলাইনে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের বানারীপাড়ায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ দেশজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ‘গুলশানের চামেলি’ চলচ্চিত্রে বাঁধন: সমালোচনার জবাব ও অবস্থান স্পষ্ট

গাজা যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেও অব্যাহত ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৪

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে অগ্রগতির দাবি করা হলেও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের পৃথক হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত চার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও সেনা প্রত্যাহারের শর্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা, যা সার্বিক শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য ও ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বিবরণ অনুযায়ী, গাজা উপত্যকার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে চালানো হামলায় এক দম্পতি প্রাণ হারান এবং অন্তত চারজন আহত হন। অন্যদিকে, গাজা সিটির অন্য একটি ভবনে পরিচালিত বিমান হামলায় এক শিশুসহ আরও দুইজন নিহত হন। স্থানীয় চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ‘যুগান্তকারী সাফল্য’ অর্জিত হয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে চুক্তি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে ১৫ দফার একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়, যেখানে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ওই অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এই রোডম্যাপ প্রয়োগের বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে তীব্র মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে গাজা ভূখণ্ড থেকে তাদের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অথবা সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় যাবে না। অপরদিকে, ইসরায়েলি সামরিক ও প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে, হামাস পূর্ণাঙ্গ ও বাস্তবসম্মত নিরস্ত্রীকরণে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সামরিক বাহিনী গাজায় বিদ্যমান অবস্থান থেকে এক ধাপও পেছাবে না।

চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বেও দৃশ্যমান বিভাজন দেখা গেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও সরকারের চরমপন্থী অংশ এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী প্রস্তাবিত রূপরেখা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে গাজায় হামাস নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান পূর্ণ শক্তিতে চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক দল ফাতাহর প্রাক্তন শীর্ষ নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে, যাতে করে দৈনন্দিন সামরিক অভিযান বন্ধ করে যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সমর্থিত রোডম্যাপ বাস্তবায়নের প্রাথমিক শর্ত হলো মাঠে সমস্ত প্রকার ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা। বিমান ও স্থল হামলা অব্যাহত থাকলে তা নতুন করে সংঘাত তীব্র করার পাশাপাশি চলমান মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ভেস্তে দিতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026