1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশ সুরক্ষায় চারণভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে বিষয়ে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা সমীচীন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে মাদক ও চোরাই মালসহ গ্রেপ্তার ৫০০ ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর আলোচনা ঘিরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার মামলায় বিদিশা সিদ্দিক গ্রেপ্তার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে ভারতভিত্তিক চার প্রতিষ্ঠান ও তিন নাগরিক

বিদেশি ওষুধে কড়া শুল্ক, উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে ফেরাতে ট্রাম্পের বড় পদক্ষেপ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জেনেরিক ওষুধের ওপর নজিরবিহীন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৮ সাল থেকে আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধে প্রথমে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর কথা জানানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই ঘোষণা দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, বিশ্ববাজার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আনা সব ধরনের জেনেরিক ওষুধে আগামী ১ আগস্ট থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা বহাল থাকবে। তবে এই ছাড়ের মেয়াদী সময়সীমা শেষ হওয়ার পরপরই কার্যকর করা হবে কঠোর শুল্ক নীতি। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, বেঁধে দেওয়া দুই বছর মেয়াদের মধ্যে যেসকল ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব কারখানা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন করতে পারবে না, মূলত তাদের ওপর শাস্তি হিসেবেই ২০২৮ সাল থেকে প্রথম ধাপে ১০০ শতাংশ এবং পরবর্তীতে তা বৃদ্ধি করে ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদের শুরু থেকেই ঘোষিত ‘মোস্ট-ফেভারড-নেশন’ নামক ওষুধ সংক্রান্ত মূল্যনীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ওষুধ উৎপাদনকারী বৈশ্বিক কোম্পানিগুলোর ওপর প্রতিনিয়ত চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এই নীতি বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য হলো, বিশ্বের অন্যান্য উচ্চ আয়ের বা উন্নত দেশের নাগরিকেরা যে মূল্যে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সংগ্রহ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ যেন ঠিক একই দামে কিংবা অপেক্ষাকৃত কম খরচে তা কিনতে পারেন। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জেনেরিক ওষুধের আমদানিতে শুল্কের বড় ধাক্কা আসার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন যে, পেটেন্ট করা, ব্র্যান্ডেড অথবা নতুন উদ্ভাবিত বিশেষ ওষুধের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালার কোনো পরিবর্তন হবে না।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশ্লেষকদের মতে, আমদানিকৃত ওষুধে অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর এই নতুন উদ্যোগটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও বৈশ্বিক ওষুধ তৈরি খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ওষুধের ৯০ শতাংশেরও বেশি জেনেরিক ওষুধ। বিপুল পরিমাণের এই জেনেরিক চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয় চীন, ভারতসহ অন্যান্য দেশের তৈরি আমদানিকৃত ওষুধের মাধ্যমে। ফলে এত কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তোলা আন্তর্জাতিক ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বেশ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

এর আগে গত এপ্রিলে জারি করা এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আমদানিকৃত ব্র্যান্ডেড ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক পর্যায়ে নির্ধারিত দামে ওষুধ বিক্রি করতে সম্মত না হয় বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তা উৎপাদনে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রেও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্মুখীন হতে হবে। জেনেরিক ওষুধের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের এই সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন আলোচনা ও জটিলতার জন্ম দিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026