1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

৭ লাখের বেশি কৃষকের ৬০৪ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করল কৃষি ব্যাংক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি প্রতিবেদক

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কৃষিবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অনূর্ধ্ব ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণের আসল ও সুদ মওকুফ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন প্রান্তিক কৃষকের বকেয়া ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি সর্বমোট ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ ৮ হাজার ৬৬৭ টাকার কৃষিঋণ মওকুফ কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন করল। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুদের বোঝা ও অনাদায়ী ঋণের চাপ থেকে মুক্ত করতে সরকার দেশের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া কৃষিঋণের আসল ও সুদ মওকুফের সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারের এই জাতীয় নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রান্তিক কৃষকদের তথ্য যাচাই-বাছাই, হিসাব সমন্বয় ও ব্যাংকিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে উপযুক্ত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করে এই ঋণ মওকুফ সুবিধা প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকা ক্ষুদ্র অঙ্কের এসব ঋণ প্রান্তিক কৃষকদের জন্য মারাত্মক আর্থিক চাপ তৈরি করছিল। বিশেষ করে নানা সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাজারে মন্দা পরিস্থিতি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক সংকটের কারণে বিপুলসংখ্যক কৃষক নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছিলেন। ঋণ খেলাপি বা অনাদায়ী থাকার কারণে এসব কৃষক ব্যাংকিং খাতের নতুন কোনো ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থেকেও থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিতরণকৃত মোট কৃষিঋণের প্রায় ৬৩ শতাংশ এককভাবে বিতরণ করে থাকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। আর সরকার কর্তৃক ঘোষিত মওকুফকৃত মোট টাকার প্রায় ৩৯ শতাংশই বহন করেছে এই ব্যাংকটি। প্রধান কার্যালয়ের সমন্বয়ে বিভাগীয়, আঞ্চলিক ও শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে মওকুফ কার্যক্রমের এই পুরো হিসাব চূড়ান্ত করা হয়।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ঋণের দায় থেকে মুক্ত হওয়ায় তারা পুনরায় নিয়মিত ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসার সুযোগ পাবেন। এর ফলে প্রান্তিক চাষীরা ভবিষ্যৎ কৃষি কাজের জন্য নতুন করে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে।

কৃষকের ঋণের বোঝা লাঘব হওয়ার ফলে তারা নতুন উদ্যমে চাষাবাদে মনোনিবেশ করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটি সরাসরি জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সাথে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন পুঁজির সঞ্চার ঘটিয়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026