1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশ সুরক্ষায় চারণভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে বিষয়ে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা সমীচীন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে মাদক ও চোরাই মালসহ গ্রেপ্তার ৫০০ ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর আলোচনা ঘিরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার মামলায় বিদিশা সিদ্দিক গ্রেপ্তার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে ভারতভিত্তিক চার প্রতিষ্ঠান ও তিন নাগরিক

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থিতায় নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে ইসি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে প্রার্থিতার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং সেবা খাতের (ইউটিলিটি) বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিরাও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদ—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান নির্বাচনী আইন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কমিশনের দ্বাদশ সভা শেষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সভার বিস্তারিত সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, প্রভারমুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনতেই আইন সংশোধনের এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া ও ভিটিংয়ের জন্য দ্রুতই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে শিক্ষক, বিশেষ করে বেসরকারি কিন্তু সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত (এমপিওভুক্ত) শিক্ষকদের প্রার্থিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। বিদ্যমান আইনি অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে অতীতে অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলত। নতুন সংশোধনীতে এই বিষয়টিকে সুস্পষ্ট বিধিনিষেধের আওতায় আনা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতার অংশ পেয়ে থাকেন, ফলে তাঁদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা স্বার্থের সংঘাত এড়াতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে, ব্যাংক ঋণের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি বা সেবা খাতের বকেয়া আদায়ে কঠোর অবস্থান নিশ্চিত করতে ঋণখেলাপি ও বিল বকেয়া রাখা ব্যক্তিদের প্রার্থিতায় অযোগ্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং ভোটার তালিকার সমসাময়িক অবস্থা ব্যাখ্যা করে সচিব জানান, বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের তথ্য আগাম সংগ্রহ করে রাখে নির্বাচন কমিশন। তবে তথ্য সংগৃহীত হলেও নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই তথ্য নিষ্ক্রিয় বা ‘ডরম্যান্ট’ অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট নাগরিকের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।

নির্বাচন কমিশন এখন তথ্য সংগ্রহের এই সর্বনিম্ন বয়সসীমা আরও কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। নাগরিক সেবাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে আরও দ্রুত পৌঁছে দিতে মাধ্যমিক (এসএসসি), অষ্টম শ্রেণি কিংবা প্রাথমিক স্তর—ঠিক কোন বয়স বা শিক্ষা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা যুক্তিযুক্ত হবে, তা নিয়ে কারিগরি ও আইনি পর্যালোচনা চলছে। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার তুলনামূলক বিশ্লেষণ শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থা এবং নাগরিক সেবা কার্যক্রমে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026