1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব মার্কিন সিনেটে পবিত্র মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর সাপ্তাহিক ইমামতি ও নামাজের সময়সূচী প্রকাশিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু আর্জেন্টিনার সাফল্যে বাংলাদেশের সমর্থকদের উৎসর্গ: স্কালোনির কৃতজ্ঞতা ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগের নতুন জোয়ার: বৈচিত্র্য আসছে শিল্প খাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন: আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে সম্ভাব্য ‘স্বপ্ন ফাইনালের’ হাতছানি রাজধানীর গুলিস্তানে এসি বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৯, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী ইপিজেডের পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ১১ ইউনিট এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর ডিসিসিআই-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি প্রতিমন্ত্রীর

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর ডিসিসিআই-এর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা, রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে ডিসিসিআই প্রতিনিধি দল এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরে।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ এতদিন যে বিশেষ সুবিধা ও শুল্ক ছাড় ভোগ করত, তা সংকুচিত হয়ে আসবে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে বৈশ্বিক বাণিজ্যের নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই কার্যকর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। তিনি বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরের ওপর জোর দেন। ডিসিসিআই সভাপতি মনে করেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের অবস্থান সুসংহত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

প্রতিনিধি দল আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের নতুন গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব অঞ্চলের দেশগুলোতে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই বলে ডিসিসিআই নেতারা অভিমত ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ করতে সরাসরি পেমেন্ট সিস্টেম বা পরিশোধ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ডিসিসিআই।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সরকার এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, আফ্রিকার বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল এবং সিরামিক পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অংশগ্রহণ ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এখন সময়ের দাবি। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের নতুন বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপণন কৌশলে আধুনিকায়ন আনার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক কূটনীতি ও ডিসিসিআই-এর মতো ব্যবসায়িক সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণের পর রফতানি আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বাংলাদেশের জন্য নতুন বাজার খোঁজা এবং শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার পথ সুগম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিসিসিআই ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আলোচনার মধ্য দিয়ে বেসরকারি খাতের দাবি ও সরকারি নীতির মধ্যে এক ধরনের যোগসূত্র তৈরি হলো, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি প্রণয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026