ধর্ম ডেস্ক
বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু সৌদি আরবের মক্কা নগরীর মসজিদুল হারাম এবং মদিনা নগরীর মসজিদে নববী। এই দুই পবিত্র মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য প্রতিদিন সমবেত হন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিরা। সেই সকল মুসল্লি ও বিশ্বব্যাপী ইসলামপ্রেমী মানুষের সুবিধার্থে পবিত্র দুই মসজিদের চলতি সপ্তাহের ইমামতির সময়সূচী এবং নামাজের সময় ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, মসজিদুল হারামে ফজর ও আসর নামাজে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন শাইখ বাদের আল-বালিলাহ। এছাড়া জোহর নামাজে (শুক্রবার ব্যতীত) ইমামতি করবেন শাইখ ফয়সাল আল-গাজ্জাবী। মাগরিব ও ইশা নামাজে সপ্তাহজুড়ে ইমামতি করবেন শাইখ মাহের আল-মুয়াইক্বলী। শুক্রবারের জুমার নামাজের জন্য ভিন্ন ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মদিনার মসজিদে নববীতেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য ইমামদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ফজর নামাজে ইমামতি করবেন শাইখ খালিদ আল-মুহান্না। জোহর নামাজে দায়িত্ব পালন করবেন শাইখ মুহাম্মদ বারহাজী (শুক্রবার ব্যতীত)। আসর নামাজে ইমামতি করবেন শাইখ আলী আল-হুদাইফী। মাগরিব ও ইশা নামাজে যথাক্রমে ইমামতি করবেন শাইখ বারি আত-থুবাইতি এবং শাইখ আব্দুল্লাহ আল-বুয়াজান।
সৌদি আরবের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, মক্কার মসজিদুল হারামে ফজরের নামাজ ৪:২১ মিনিটে, জোহর ১২:২৭ মিনিটে, আসর ৩:৪২ মিনিটে, মাগরিব ৭:০৭ মিনিটে এবং ইশা ৮:৩৭ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে, মদিনার মসজিদে নববীতে ফজর ৪:১৩ মিনিটে, জোহর ১২:২৮ মিনিটে, আসর ৩:৫০ মিনিটে, মাগরিব ৭:১৪ মিনিটে এবং ইশা ৮:৪৪ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
হজ ও উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থানরত অসংখ্য মুসল্লির জন্য এই সময়সূচী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত অনেক মুসল্লি তাদের প্রিয় ইমামের পেছনে নামাজ আদায়ের বিশেষ আগ্রহ থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয়ে থাকেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা সরাসরি সম্প্রচারিত নামাজের মাধ্যমে পবিত্র দুই মসজিদের খতিব ও ইমামদের তিলাওয়াত শোনার অপেক্ষায় থাকেন। প্রতি সপ্তাহে এই সময়সূচী পরিবর্তনের ফলে মুসল্লিদের জন্য নিয়মিত আপডেট থাকা আবশ্যক হয়ে পড়ে।
সৌদি আরবের হারমাইন শরীফাইন কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে এই সময়সূচী প্রকাশ করে থাকে, যাতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা মুসলমানদের জন্য ধর্মীয় কার্যাবলীর সাথে সমন্বয় করা সহজ হয়। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে মুসল্লিরা এই দুই পবিত্র মসজিদের নামাজের সাথে মানসিকভাবে যুক্ত থাকতে পারেন। এই সময়সূচী অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে নামাজের জামাত পরিচালিত হবে।