1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আর্জেন্টিনার সাফল্যে বাংলাদেশের সমর্থকদের উৎসর্গ: স্কালোনির কৃতজ্ঞতা ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগের নতুন জোয়ার: বৈচিত্র্য আসছে শিল্প খাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন: আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে সম্ভাব্য ‘স্বপ্ন ফাইনালের’ হাতছানি রাজধানীর গুলিস্তানে এসি বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৯, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী ইপিজেডের পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ১১ ইউনিট এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর ডিসিসিআই-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি প্রতিমন্ত্রীর আগামী ৫ আগস্ট জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন: সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে এদিনই ইরানের সঙ্গে নতুন সমঝোতায় না এলে কঠোর পরিণতির হুমকি ট্রাম্পের বিদ্যুৎ খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৮৭ লাখ প্রিপেইড মিটার স্থাপন: শতভাগ মিটারিংয়ের পথে সরকার

ইরানের সঙ্গে নতুন সমঝোতায় না এলে কঠোর পরিণতির হুমকি ট্রাম্পের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আলোচনার মাধ্যমে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে না পারলে দেশটিতে কার্যত কোনো অস্তিত্ব অবশিষ্ট থাকবে না।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইংস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তেহরানের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের অবশ্যই একটি চুক্তিতে আসতে হবে। অন্যথায় আপনাদের কেউই অবশিষ্ট থাকবে না।’

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের বিপরীতে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। তবে এই ব্যাখ্যা প্রদানের পরপরই তিনি তার পূর্বের অবস্থানে অনড় থেকে পুনরায় ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলেছি, চুক্তি করুন। তা না হলে আপনাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’

ইরানি নেতৃত্বের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে ট্রাম্প জানান, তার প্রশাসন এই বার্তা ইতিমধ্যে বিভিন্ন কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রায় এক ঘণ্টা আগেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, ইরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে কোনো চুক্তিতে রাজি হতে পারে কি না। এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনো নিশ্চিত পূর্বাভাস না দিয়ে বলেন, ‘ইরানের উচিত সমঝোতায় আসা। তবে তারা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা আমার জানা নেই।’

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন এবং পারমাণবিক চুক্তিসংক্রান্ত মতবিরোধের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ। ইরান এ ধরনের চাপকে বরাবরই তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানকে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের যে কৌশল নেওয়া হয়েছে, তারই অংশ হিসেবে এই কঠোর বক্তব্যকে দেখা হচ্ছে।

তবে এই হুমকির বিপরীতে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অতীতে ইরান সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা বারবার জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের হুমকি বা নিষেধাজ্ঞা তাদের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে সক্ষম নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টির শঙ্কা তৈরি করেছে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইরানি সামরিক উপস্থিতির কারণে সংঘাতের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান আলোচনার টেবিলে বসবে কি না, নাকি এই উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হবে, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়। ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থানের পর ইরান সরকার অভ্যন্তরীণভাবে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এতে কোনো মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেয় কি না, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ব।

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতির প্রতিফলন নয়, বরং এটি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি জটিল সমীকরণ তৈরি করেছে। সমঝোতার পথ সংকীর্ণ হতে থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং নিরাপত্তার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতি নিয়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র কি কোনো আলোচনার পথ খুঁজে পাবে, নাকি উত্তেজনা আরও চরমে পৌঁছাবে?

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026