জাতীয় ডেস্ক
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনসংখ্যা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংকট ও এর টেকসই সমাধানের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপিত হয়। এ বছরও বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি উদযাপনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেশের গণমাধ্যমগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে কর্মসূচি ও বিষয়ভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন সম্প্রচার মাধ্যমে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে।
১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে বিশ্বব্যাপী জরুরি মনোযোগ আকর্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর ১১ জুলাই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবারের মতো বিশ্বের ৯০টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। বাংলাদেশ শুরু থেকেই এই আন্তর্জাতিক সচেতনতা কর্মসূচির সাথে যুক্ত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পিত পরিবার গঠন এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর এবং পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই দিবসটি নীতিনির্ধারক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সমন্বয় সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।